হরিদ্বার: বিতর্কিত মন্তব্য ও সাংসদ সাক্ষী মহারাজ যেন সমার্থক। এর আগে নানা কথায় নিজের দলকেই অস্বস্তিতে ফেলেছিলেন। রবিবার ফের বিতর্কিত মন্তব্য করলেন মহারাজ। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দৈত্যদের রাজ হিরণ্যকশিপুর পরিবারের সদস্যা বলে কটাক্ষ করলেন তিনি। কেন হিরণ্যকশিপুরের সঙ্গে মমতার তুলনা?

বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজের জবাব, ‍দেবতাদের নাম উচ্চরন করলেই হিরণ্যকশিপুর লোকজনকে বন্দি করতেন। এমনকী, নিজের ছেলেকেও রেয়াত করেননি হিরণ্যকশিপু। মমতাও একই কাজ করছেন জয় শ্রীরাম বললেই। তাই এই বাংলার মুখ্যমন্ত্রী দৈত্যরাজার বংশের সদস্যা। এদিকে রবিবারই জয শ্রীরাম ধ্বনি বিজেপি অন্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে বলে ফেসবুক পোস্টে লেখেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যাযের মতে, কোনও স্লোগানেই তাঁর আপত্তি নেই। তবে ধর্মের সঙ্গে রাজনীতিতে মিশিয়ে ফেলা হচ্ছে। দিন তিনি বাংলার সংস্কৃতির কথা উল্লেখ করে লিখেছেন, বাংলায় রাম মোহন রায়, বিদ্যাসাগরের মত সমাজ সংস্কারক ছিলেন। মমতার দাবি, বাংলাকে টার্গেট করেছে বিজেপি, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে রাজ্যে।

মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘আমার কোনও রাজনৈতিক দলের স্লোগান নিয়েই সমস্যা নেই। সব দলেরই নিজস্ব স্লোগান আছে। আমার দলের স্লোগান জয় হিন্দ, বন্দেমাতরম। বামফ্রন্টের আছে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’। তাঁর হুঁশিযারি রাজ্যে অশান্তি ছড়ানো হলে কড়া পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন।

ভোটের ফলেই স্পষ্ট রাজ্যে গেরুয়া পালে হাওয়া লেগেছে। প্রচারের আগে বা পরে মুখ্যমন্ত্রীকে দেখলেই উঠছে জয় শ্রীরাম ধ্বনি। ক্ষুব্দ মমতা এতে বিজেপির চক্রান্ত দেখছেন। নৈহাটিতে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছিলেন এই ধ্বনি আদতে ‍গালাগাল। যারা বলছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিতর্কের চূড়ায় জয় শ্রীরাম স্লোগান। সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করল সাংসদ সাক্ষী মহারাজের মন্তব্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।