নয়াদিল্লি: দেশে কোভিড সংক্রমণ উদ্বেগজনক ভাবে বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই বৈঠকে ছিলেন না পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর জায়গায় ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধ্ব ঠাকরে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।

সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ে দেশের একাধিক রাজ্য বেসামাল। মহারাষ্ট্র-সহ একাধিক রাজ্যে সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। বৃহস্পতিবারও দৈনিক সংক্রমণ সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। একদিনে আক্রান্ত হয়েছে ১.২৫ লক্ষ মানুষ যা সর্বকালীন দৈনিক রেকর্ড। সেই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক করেন মোদী। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধি হিসেবে বৈঠকে শামিল ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের কারণে বৈঠকে অনুপস্থিত থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেকথা নবান্ন আগেই জানিয়ে রেখেছিল। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যে নির্বাচন ঘিরে যেভাবে বাকযুদ্ধে শামিল হয়েছেন মোদী ও মমতা, তাতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মমতার না থাকা একপ্রকার নিশ্চিতই ছিল। বলে রাখি, ১৭ মার্চ সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই বৈঠকেও অবশ্য ছিলেন না মমতা। তাঁর জায়গায় মুখ্যসচিবকে প্রতিনিধিত্ব করতে হয়।

এদিকে, মোট আক্রান্তের নিরিখে প্রথমেই রয়েছে মহারাষ্ট্র। এরপরই রয়েছে কেরল, কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশের মতো দক্ষিণী রাজ্যগুলি। এদিনের বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, গোটা দেশে এখনও পর্যন্ত ৯ কোটি টাকা করণ হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ৪৫ বছর বয়স পর্যন্ত টিকাকরণের অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ১ এপ্রিল থেকেই শুরু হয়েছে সেই প্রক্রিয়া। এদিকে আবার প্রকাশ জাভড়েকর অভিযোগ করেছেন মহারাষ্ট্র সরকার ৫ লক্ষ করোনা টিকা নষ্ট করেছে শুধুমাত্র পরিকল্পনার অভাবে। আগের রিভিউ মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজ্যগুলিকে ভ্যাকসিন নষ্ট হওয়া নিয়ে সতর্ক করেছিলেন। কোনও ভাবেই যাতে করোনা ভ্যাকনিস নষ্ট না হয় তার জন্য সতর্ক হতে বলেছিলেন।

উল্লেখ্য, এর আগের বৈঠকে তিনি সংক্রমণ রোখার জন্য পাঁচটি পদ্ধতির কথা বলেছিলেন। সেগুলি হল, নমুনা পরীক্ষা, সংক্রমণের উৎস চিহ্নিত করা, চিকিৎসা করা, স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা ও টিকাকরণ করা। কিন্তু গত কয়েক দিনে আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে সংক্রমণ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।