এখন বাইরের পরিবেশ খুবই খারাপ। বাতাসে যে শুধু ভাইরাস ভেসে বেড়াচ্ছে তাই নয় অন্যান্য ক্ষতিকারক জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়াও রয়েছে।

সে কারণে আমাদের অনেকেরই নানাভাবে শরীর খারাপ হচ্ছে। সর্দি-কাশি অনেকেরই সারাবছর লেগেই থাকে।

আবার অনেকের এমনও হয় যে ঠান্ডা না লাগলেও হাঁচি (sneezing) বা কাশি হয়। কারো কারো আবার এমনও হয় যে সে হাঁচি (sneezing) বা কাশি শুরু হলে তা আর থামতে চায় না।

একদিকে যেমন সেই ব্যক্তির অস্বস্তি হয় তেমন আশেপাশের মানুষ বিরক্ত হতে পারেন এতে। এলার্জির সমস্যা থাকলে বা অন্যান্য কারণেও এই সমস্যা হতে পারে।

তবে এতে বিশেষভাবে চিন্তার কিছু নেই। সমাধান আপনার বাড়িতেও থাকতে পারে বা রয়েছে হাতের কাছেই। সেই সমাধানগুলি জানতে হলে এখুনি পড়ুন নিচের পুরো লেখাটি।

১. মধু: স্বাস্থ্যের জন্য এবং রান্নার জন্য একইভাবে উপকারী এই মধু। আবার হাঁচির (sneezing) ক্ষেত্রেও খুব ভালো লাভ দিতে পারে।

যে সময় আপনার হাঁচি হবে সে সময় এক চামচ মধু খেয়ে নিন। ফল পাবেন হাতেনাতে।

২. নাক টিপে ধরা: এই পন্থা অবাক মনে হলেও লাভ পাবেন। যেই মনে হচ্ছে আপনার হাঁচি (sneezing) হবে সে সময় দুটো আঙ্গুল দিয়ে আপনার নাক চেপে ধরতে হবে।

কোনো দুর্গন্ধ নাকে এলে যেমন নাক চাপা দেন সেভাবেই নাক চাপা দিন।

৩. জিভে টোকা: এই পদ্ধতিতে খুব তাড়াতাড়ি হাঁচি (sneezing) হলে তা কমে যায় মুখের ভিতরে উপরের দিকে জিভ দিয়ে টোকা দিন। সঙ্গে সঙ্গেই লাভ পাবেন।

৪. স্টিম নিন (steam): গরম জলের ভাপ (steam) নিতে পারেন। বড় একটি পাত্রে জল ফুটিয়ে নিয়ে মাথার উপর থেকে একটি কাপড় দিয়ে সে জায়গাটি ঢেকে দিয়ে তাতে আপনার মাথা ঢুকিয়ে নিয়ে স্টিম (steam) নিতে পারেন।

৫. ইউক্যালিপ্টাস তেল (eucalyptus oil): এটি একটি পরিষ্কার কাপড়ে ৩ ফোঁটা নিয়ে নিন। এবার কাপড়টি মুড়ে নিয়ে তা শুঁকতে থাকুন।

হাঁচি (sneezing) না থামা অবধি শুঁকতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.