ওয়াশিংটন: কোটি কোটি বছর আগে মঙ্গলেও জল ছিল। হ্রদ ও মহাসাগরের গ্রহ ছিল মঙ্গল। কিন্তু এখন মঙ্গলের রুক্ষ শুষ্ক মাটি দেখে তা বোঝার উপায় নেই। কীভাবে মঙ্গল থেকে উধাও হল জল? কীভাবে জল শুষ্ক পাথরে পরিণত হল, তা এখনও বিজ্ঞানীদের কাছে রহস্য। কিন্তু মঙ্গলে যে একসময় জল ছিল তা স্পষ্ট করলেন বিজ্ঞানীরা।

অনেকেই মনে করেন মঙ্গলের জল বাষ্পাকারে উড়ে গিয়েছে মহাশূন্যে। কিন্তু নতুন গবেষণা বলছে এমনটি হয়নি মোটেই। বিজ্ঞানীদের মতে মঙ্গলের জল কোথাও অন্তর্হিত হয়নি। তা খনিজ ও ভূপৃষ্ঠের কিছু কঠিন আবরণের নিচে চাপা পড়ে গিয়েছে। সায়েন্স প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে তার মুখ্য লেখিকা ইভা স্কেলার জানিয়েছেন, ভূপৃষ্ঠের এই কঠিন আবরণগুলি হাইড্রেটেড মিনারেল থেকে তৈরি হয়েছে। এই খনিজগুলির মধ্যে জলের ক্রিস্টাল রয়েছে। তাঁর গবেষণা অনুসারে ৩০ থেকে ৯৯ শতাংশ জল এই ধরনের খনিজগুলির মধ্যে বন্দি হয়ে রয়েছে।

অতীতে গোটা মঙ্গল গ্রহ জুড়ে জল ছিল বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে মোটামুটি ১০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিটার মহাসাগর ছিল মঙ্গলে। কিন্তু যেহেতু ইতিহাস অনুযায়ী এই গ্রহ আগেই তার চৌম্বকত্ব হারিয়েছে তাই এর বায়ুমণ্ডল উত্তরোত্তর দূরে সরে গিয়েছে। মঙ্গল থেকে জলের অস্তিত্ব লোপ পেয়ে যাওয়ার এটি একটি কারণ। কিন্তু বিজ্ঞানীদের মতে কিছুটা পরিমাণ জল উধাও হয়ে গেলেও অনেকটাই মঙ্গলে রয়ে গিয়েছে। মঙ্গলে রোভার গ্রহ থেকে উল্কাপিণ্ড সংগ্রহ করতে চেষ্টা করছে। বিজ্ঞানীরা লাল গ্রহে হাইড্রোজেনের সন্ধান শুরু করেছেন। কারণ এটিই জলের মূল উপাদান। হাইড্রোজেনের বিভিন্ন ধরনের পরমাণু রয়েছে। তার মধ্যে বেশিরভাগেরই নিউক্লিয়াসে একটি মাত্র প্রোটন রয়েছে। মাত্র ০.০২ শতাংশের ক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন রয়েছে যা হাইড্রোজেনের পরমাণুকে ভারী করে। এদের ভারী হাইড্রোজেন বলে।

যেহেতু গ্রহের বায়ুমণ্ডলে হালকা পদার্থ দ্রুত বেরিয়ে যায়, তাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভারী হাইড্রোজেনকে রিছনে ফেলে জলের ক্ষয়ীভূত হয়েছে। তবে এই গ্রহে কতটা জল অতীতে ছিল, কতটা হাইড্রোজেন উবে গিয়েছে ও কতটা ভারী হাইড্রোজের রয়েছে তা এখনও ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.