ম্যাঞ্চেস্টার: সদ্যসমাপ্ত ২০১৯ বিশ্বকাপে ধারাভাষ্যকার ছিলেন তিনি৷ ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ঘুরে বেড়িয়েছেন সাবলীলভাবেই৷ লর্ডসে বিশ্বকাপ ফাইনালেও ধারাভাষ্যকরের ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল কিংবদন্তি এই ক্রিকেটারকে৷ কিন্তু বিশ্বকাপের পরই ম্যাঞ্চেস্টার এয়ারপোর্টে জিজ্ঞাসাবাদ করা হল ওয়াসিম আক্রমকে৷ এতে অসম্মানিতবোধ করে প্রাক্তন পাক অধিনায়ক৷

বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সময়ও ইনসুলিনের ব্যাগ নিয়ে ম্যাঞ্চেস্টারে এসেছিলেন আক্রম৷ ১৪ জুন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান৷ এই ম্যাচেও সম্প্রচার টেলিভিশনে বিশেষজ্ঞের ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল আক্রমকে৷ কিন্তু মঙ্গলবার ম্যাঞ্চেস্টার বিমানবন্দরে সেই ব্যাগের জন্যই প্রশ্ন-উত্তরের মুখোমুখি হতে হয় কিংবদন্তি এই পাক পেসারকে৷ সেই অভিজ্ঞতার কথা টুইটারে লিখেছেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক৷

নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে আক্রম লিখেছেন, ‘ম্যাঞ্চেস্টার এয়ারপোর্টে আমার সঙ্গে যা হয়েছে তাতে আমি মর্মাহত৷ আমি এই ইনসুলিন ব্যাগ নিয়েই ইংল্যান্ড ঘুরে বেড়িয়েছি৷ কিন্তু কখনও হেনস্থা হতে হয়নি৷ কিন্তু আজকে আমাকে জনসমক্ষে হেনস্থা করা হয়৷ সবার সামনে জিজ্ঞাসাদ এবং প্ল্যাস্টিক ব্যাগ থেকে ইনসুলিন বের করে দেখাতে বলা হয়৷’

১৯৯৭ সাল থেকে ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত আক্রম৷ তখন থেকেই বেশ কয়েকটি করে ইনসুলিন নিতে হয় কিংবদন্তি এই পাক পেসারকে৷ ইনসুলিন ইনজেকশন ঠাণ্ডা রাখতে মেডিকেশন কোল্ড কেস ব্যবহার করেন আক্রম৷ কিন্তু মঙ্গলবার ম্যাঞ্চেস্টার বিমানবন্দরের নিরাপত্তারক্ষীরা কিংবদন্তি এই ক্রিকেটারকে ব্যাগ থেকে ইনসুলিন বের করে দেখাতে বলেন৷

পাকিস্তানের হয়ে ১০৪টি টেস্ট ৪১৪টি উইকেট নেওয়া আক্রম ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম চরিত্র৷ ওয়ান ডে ক্রিকেটে প্রথম বোলার হিসেবে ৫০০ উইকেটের মাইলস্টোন ছোঁয়ার নজির রয়েছে তাঁর৷ সেই ক্রিকেটারকে এদিন বিমানবন্দরে হেনস্থা হতে হয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।