করাচি: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকেই বিশেষজ্ঞদের নজর কাড়েন জসপ্রীত বুমরাহ৷ চোট সারিয়ে জাতীয় দলে ফেরার পর থেকে ছন্দে দেখা যায়নি টিম ইন্ডিয়ার এই ডানহাতি পেসারকে৷ তবে বুমরাহের মতো পেসারকে কাউন্টি ক্রিকেট না-খেলার পরামর্শ দিলেন কিংবদন্তি পাক পেসার ওয়াসিম আক্রম৷

আইপিএলে নজর কাড়ার পর বেশ কয়েক বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে খেললেও এখনও কাউন্টি খেলেনি বুমরাহ৷ তবে ওর মতো পেসারের কাউন্টিতে খেলে নিজেকে নিঃশেষ করা উচিত নয় বলে মনে করেন ‘সুলতান অফ সুইং’৷

প্রাক্তন ভারতীয় ব্যাটসম্যান আকাশ চোপড়ার সঙ্গে ইউটিভ চ্যানেলে আক্রাম বলেন, ‘আজ ক্রিকেট অনেক বেশি হয়ে গিয়েছে। বুমরার মতো একজন শীর্ষস্থানীয় বোলার, যে ভারতের এক নম্বর পেসার৷ আমি ওকে বলব কাউন্টি ক্রিকেট না-খেলতে৷ তরুণ খেলোয়াড়দের সেখান থেকে আরও প্রথমশ্রেণির ক্রিকেট খেলতে হবে, যেখান থেকে ওরা বোলিং শিখতে পারবে৷’

কিংবদন্তি পাক পেসার আরও বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি আশ্চর্যজনক, ভালো বিনোদনও৷ প্রচুর অর্থ রয়েছে৷ কিন্তু অর্থের জন্য এই ফরম্যাটকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত নয়৷ টি-২০ থেকে তারা বোলিং শিখবে না। আমি টি-২০ পারফরম্যান্সের দ্বারা কোনও খেলোয়াড়কে বিচার করি না৷ আমি ক্রিকেটের দীর্ঘ সংস্করণ অর্থাৎ টেস্ট ক্রিকেটে পারফরম্যান্স দেখে বিচার করি৷’

পাকিস্তানের হয়ে খেলার প্রথম দিকের কথা স্মরণ করে আক্রাম জানান যে, তাঁর প্রতিভা সম্পর্কে তার কোনও ধারণা ছিল না৷ তিনি বলেন, ‘আমি যখন তরুণ, সবে দলে ঢুকেছি তখন ইমরান (খান) ভাই, জাভেদ (মিয়াঁদাদ) ভাই, মুদাসসর নজরকে বলতে শুনতাম যে, এই ছেলেটার প্রতিভা আছে৷ কিন্তু সে সময় তারা কী বলতে চেয়েছিল তা আমি বুঝতে পারিনি। তারপরে আমি একদিন ইমরান ভাইকে জিজ্ঞেস করি৷ তিনি বলেছিলেন, আপনার গতি ছলনাময়ী এবং বল দারুণ সুইং করছে৷ আমাকে এতে আরও খাটতে হবে৷’

আক্রম আরও বলেন, ‘কিছুই সহজ হয় না, একই পরামর্শ, যা আমি এই তিনটি খেলোয়াড়ের কাছ থেকে শিখেছি৷ যদিও তাদের পদ্ধতি আলাদা ছিল। বোলার হিসাবে আমাদের কাজ ব্যাটসম্যানদের মনে সন্দেহ তৈরি করা। আমি যে প্রতিভাধর তা ট্যাগটি উপভোগ করেছি।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।