কলকাতা: তাঁর মধ্যে প্রতিভা সহজাত ছিল না। কিন্তু সেই প্রতিভার ঘাটতি কঠোর পরিশ্রম দিয়ে পুষিয়ে দিয়েছেন। কোনওরকম রাখঢাক না করে সাফ জানালেন জাতীয় ফুটবল দলের রাইট-ব্যাক প্রীতম কোটাল। সম্প্রতি এআইএফএফ’র ইনস্টাগ্রাম পেজে লাইভ চ্যাট সেশনে এমনটাই জানালেন মোহনবাগানের প্রাক্তনী।

জাতীয় দলের একাদশে বর্তমানে নিয়মিত প্রীতম বলছেন, ‘আমার স্বীকার করতে কোনও লজ্জা নেই যে আমি অন্যান্যদের মতো প্রতিভাবান নই। আমি জানতাম আমার এই কমজোরি আমাকে কঠোর অনুশীলনের মধ্যে দিয়ে পুষিয়ে দিতে হবে। তাই ছুটির দিনেও আমি ঘরের মধ্যে অনুশীলন করার চেষ্টা করি। অনুশীলন জিনিসটা আপনা-আপনিই চলে আসে আমার মধ্যে।’

প্রত্যেক টেনিং সেশনে ভুলভ্রান্তিগুলো শুধরে নেওয়ার জন্য নাকি ডায়েরিতে সেগুলো তুলে রাখেন প্রীতম। এব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে বাংলার রাইট-ব্যাক জানান, ‘অনুর্ধ্ব-১৯’র সময় থেকে এটা আমার অভ্যেস। আমি এই অভ্যেসটা শুরু করেছিলাম যাতে পরবর্তী প্র্যাকটিস সেশনে এই ভুলগুলো আর না হয়। তবে শুধু প্র্যাকটিস নয় ম্যাচের জন্যও এটা প্রযোজ্য। আর করব নাই বা কেন? এটা ভীষণই সাধারণ একটা অভ্যেস অথচ দারুণ কাজ দেয়। তাই ভুলভ্রান্তি কমাতে প্রত্যেক অনুশীলনের শেষে আমি নোট নিই।’

পাশাপাশি যোগাভ্যাসের কারণেও জাতীয় দলে কোটালের বেশ নামডাক রয়েছে। সতীর্থ ডিফেন্ডার সন্দেশ ঝিঙ্গান প্রথম তাঁর যোগাভ্যাসের বিষয়টি খেয়াল করেছিলেন জাতীয় দলে। এ প্রসঙ্গে কোটাল জানান, ‘যোগাভ্যাস ভীষণভাবে সাহায্য করে আমাকে। অনুর্ধ্ব-১৯ সময় থেকেই মোমবাতির আলোর দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে আমি যোগাভ্যাস করে আসছি। ফুটবল হল ফোকাস এবং মনোসংযোগের খেলা। আর একজন ডিফেন্ডার হিসেবে আমি এক সেকেন্ডের জন্যেও মনোসংযোগ হারাতে চাই না।’

আগামী ৮ অক্টোবর ভুবনেশ্বরে কাতার ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন পর্বের খেলা ফের শুরু করছে ভারতীয় দল। কিন্তু ওই ম্যাচে আগে অন্তর একটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি শিবির চাইছেন কোটাল। রাইট-ব্যাকের কথায়, ‘এটা আমাদের জন্য ভীষণই কঠিন সময়। কিন্তু কোনও প্রস্তুতি কিংবা প্রীতি ম্যাচ ছাড়া কাতারের মুখোমুখি হওয়া ভীষণ কঠিন। কারণ ওরা এশিয়ান জায়ান্ট।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।