Actress Ena Saha
হাওড়া ব্রিজ নিয়ে নিজের নস্টালজিয়ার কথা বললেন অভিনেত্রী।

ওয়েলকাম তো ‘কলকাতা ২৪x৭’,আজ হাওড়া ব্রিজের ৭৮তম জন্মদিন। হাওড়া ব্রিজের সঙ্গে তোমার নস্টালজিয়া কীভাবে জড়িয়ে ?

এনা: করোনার জন্য লাস্ট প্রায় এক বছর তেমন কোনো স্টেজ শো করিনি। কিন্তু তার আগে পর্যন্ত যখন কোনো শো করতে যেতাম ওইদিক থেকে বা হাওড়া ব্রিজ ধরেই বেশি যেতাম। ইন ফ্যাক্ট আমার জীবনের প্রথম শো যেটা হাওড়াতেই হয়েছিল সেটা করতে গিয়ে একটা মজার ঘটনা ঘটে। আমাকে কিছু গানের লিস্ট দিয়ে বলা হয় এই গানের লিরিক্স মুখস্থ রাখতে, কিন্তু হঠাৎ করে সম্ভবত জিৎ-দার কোনো সিনেমার গান যেটা আমিও সেই সময় খুব শুনতাম সেটার রিকোয়েস্ট আসে। যার লিরিক্স আমার মুখস্থ ছিল না। তাই ও স্টেজেই ‘সরি’ বলে নেমে আসি। এখনও স্টেজ শো এর কথা উঠলেই আমার এই ঘটনাটা মনে পরে (হাসি) ।

সবার বয়স বাড়ছে ,কিন্তু হাওড়া ব্রিজের যত বয়স বাড়ছে ততই সে সুন্দর হচ্ছে…….

এনা: এক্সাক্টলি। আসলে কলকাতার এমন একটা মায়া আছে, যা ছেড়ে আমিও কলকাতা ছেড়ে বেশিদিন বাইরে থাকতে পারি না। আমি কাজের সময় অনেক সময় বাইরে কাটালেও কলকাতা আমার পার্ট ,ইট্স ইন মাই হার্ট। হাওড়া ব্রিজ,মনুমেন্ট,গড়ের মাঠ এসবের সাথেই আমাদের বড়ো হওয়া। আমি একটি হিন্দি সিরিয়ালে কাজের সূত্রে, যে প্রজেক্টটা এগোয়নি সেটার জন্য দু মাস মুম্বাইতে ছিলাম, ওখানে সমুদ্র আছে , এতো মানুষ তারপরেও কলকাতা একটা আলাদা চার্ম আমায় সব সময় টানে।আমি এখনো আমার বাড়ি ফেরার সময় পারে খানিক্ষন আড্ডা দিই। এই আড্ডা , ল্যাদ কলকাতাতেই পাই। এই নেভার ওয়ান্ট মাই সিটি তো গেট ওল্ড।

howrah bridge at night
হাওড়া ব্রিজের সঙ্গে অনেক নস্টালজিয়া জুড়ে রয়েছে এনার।

হাওড়া ব্রিজে দাঁড়িয়ে গঙ্গা দেখতে দেখতে কোন খাবার খাওয়ার মজাটাই আলাদা

এনা: হাতে একটা এগরোল নিয়ে হাওড়া ব্রিজে দাঁড়িয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেবার মজাটাই আলাদা । অথবা ‘ভুট্টা’-ও খাওয়া যায়।

এমন কোনো অভিনেতা আছে যার সঙ্গে হাওড়া ব্রিজে রোমান্টিক ডেট করতে চাও ?

এনা: (একটু হেসে) হৃত্বিক রোশন। যদিও আমি শাহরুখ খানের ফ্যান তাও হাওড়া ব্রিজে ডেটের কথা বললে হৃত্বিক রোশন।

তোমার কোনো সিনেমার দৃশ্য আছে যা তোমার মতে, হাওড়া ব্রিজে হলে খুব ভালো হতো ?

এনা: চিরদিনই তুমি যে আমার ২-এর একটি দৃশ্য হাওড়া ব্রিজে শুট করার কথা ছিল। কিন্তু পারমিশন পায়নি বলে সেটা করা সম্ভব হয়নি।

তোমার কাছে ‘হাওড়া ব্রিজ’-কে এমনভাবে কোন সিনেমায় দেখানো হয়েছিল যা তোমার এখনো চোখে আটকে আছে ?

এনা: যে ভাবে আমি নিজের চোখে হাওড়া ব্রিজ দেখেছি, সেই ভাবে আমি কোনো সিনেমাতেই হাওড়া ব্রিজ-কে পাইনি। তাই ক্যামেরার থেকে বেশি নিজের চোখে দেখা ‘হাওড়া ব্রিজ’-কেই আমি বেশি ভালোবাসি (হাসি)।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।