রায়গঞ্জ : পশ্চিমবঙ্গের রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের কোভিড ওয়ার্ডকে ভোটকেন্দ্রে রূপান্তরিত করায় স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ। প্রতিবাদীরা বলছেন, এর ফলে তাদের মধ্যে করোনা সংক্রমণের প্রবল সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলছেন, “আমরা এখানে আমাদের ভোট দেব না। এই ভোট কেন্দ্র সঠিকভাবে পরিষ্কার করা হয়েছে কি না, স্যানিটাইজ করা হয়েছে কি না, সেটা আমরা জানি না। আমাদের পরিবার নিয়ে বাঁচতে হয়। প্রশাসন করোনা বিধি নিয়ে এতো কথা বলার পর এমন জায়গায় ভোট কেন্দ্র করতে পারলো কি ভাবে? আমরা নতুন ভোট ক্রেন্দ্র না হলে ভোট দেব না।” এখানকার ইন্দিরা কলোনী-র অন্য এক প্রতিবাদী বলেন, “আমরা চাই না হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডকে নির্বাচনী বুথে পরিণত করে নির্বাচন করা হোক। আমরা আলাদা ভোট কেন্দ্র চাই। এই দাবিতে রায়গঞ্জে রাস্তা অবরোধ করে প্রতিবাদীরা। টানা চার ঘন্টা এই পথ অবরোধ চলে। তবে এই প্রতিবাদের পর কর্তৃপক্ষ করোনা ওয়ার্ড-এর মধ্যে হওয়া নির্বাচনী বুথটিকে স্যানিটাইজ করে দেয়।

রাজ্যে ১০ হাজার ৭১০ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৬১৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণে মাত্রা গেছেন ৫৮ জন। রায়ে ৬৩ হাজার ৪৯৬ জন সক্রিয় করোনা রোগী আছেন। এ পর্যন্ত ১০ হাজার ৭১০ জন মারণ করোনা সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে সাকুল্যে মারা গেছেন। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্টে এই তথ্য বুধবার জানানো হয়েছে।

এরই মধ্যে রাজ্যে বৃহস্পতিবার ষষ্ঠ দফার বিধানসভা নির্বাচন চলছে। রাজ্যের ৪৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে ষষ্ঠ দফার নির্বাচনের ৩০৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ২৭ জন মহিলা প্রার্থী রয়েছেন। সকাল ৭টা থেকে নির্বাচন শুরু হয়েছে। মোট ১.০৩ কোটি ভোটার এই নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন। এর মধ্যে মহিলা ভোটারের সংখ্যা হচ্ছে ৫০.৬৫ লক্ষ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ২৫৬ জন। এরাই ষষ্ঠ দফার ৪৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে ৩০৬ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। ১৪ হাজার ৪৮০টি বুথ করা হয়েছে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.