তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: লোকসভা নির্বাচনে প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি জানিয়ে এবার পথে নামলেন বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর ও খাতড়া মহকুমা এলাকার ভোট কর্মীরা। শনিবার এই দুই মহকুমার ভোট কর্মীরা দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণের আগে নিজ নিজ এলাকায় প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন সহ স্লোগান দিয়ে মিছিল করলেন। এদিন ভোট কর্মীদের আন্দোলন ঘিরে যে কোনও ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল।

এদিন বিষ্ণুপুর শহরে প্রশিক্ষণের আগে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভোট কর্মীরা, ভোট কর্মীদের নিরাপত্তা এবং সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে মিছিল করে বিষ্ণুপুর মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে মহকুমা শাসক মানস মণ্ডলের হাতে তাঁদের দাবী সম্বলিত স্মারকলিপি তুলে দেন। ভোট কর্মীদের দাবি, গত পঞ্চায়েত ভোট ও রাজ্যে সদ্য সমাপ্ত দু’দফার লোকসভা ভোটে আমাদের অভিজ্ঞতা খুব ভালো নয়। লোকসভা নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক এখনও নিখোঁজ। এই পরিস্থিতিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভোট কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

নিরাপত্তার কারণে সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাবি নিয়ে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন বলে ভোট কর্মীরা জানিয়েছেন। বিষ্ণুপুরে আন্দোলনরত ভোট কর্মী প্রবীর দত্ত, সঞ্জয় মণ্ডল, কৃষ্ণপদ বাগরা বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে ভোট করতে চাই, যদি ঠিক ঠাক নিরাপত্তা পাই। কিন্তু বিগত পঞ্চায়েত ভোটে আমরা দেখেছি সশস্ত্র রাজ্য পুলিশ নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। আমরা তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরে এসেছি।’

পঞ্চায়েত ভোটে নিযুক্ত ভোট কর্মী ‘রাজকুমার রায় হত্যাকাণ্ড’ প্রসঙ্গ টেনে তারা বলেন, ‘প্রয়োজনে আমরা প্রশিক্ষণ বয়কট করব।’ রাজ্য পুলিশের উপর সম্পূর্ণ অনাস্থা প্রকাশ করে তাদের দাবি, কেবলমাত্র প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিযুক্ত থাকলেই তবে তারা ভোট করতে যাবেন বলেই এদিন সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন।

এবিষয়ে বিষ্ণুপুরের মহকুমাশাসক মানস মণ্ডল বলেন, ‘ওঁদের দাবিপত্র পেয়েছি। বিষয়টি যথাযথ জায়গায় পৌঁছে দিচ্ছি। আন্দোলন শেষে প্রত্যেক ভোট কর্মী এদিন প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন বলেও মহকুমাশাসক জানান।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.