স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ভোট মিটতেই কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসকের দায়িত্বে ফিরলেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। মঙ্গলবার রাজ্যের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতির জন্য এ সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে৷ দায়িত্ব পেয়েই এদিন বিকেলে বৈঠকে বসেন ফিরহাদ৷

বিধানসভা নির্বাচনের আগে পুরসভা নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও কোভিড পরিস্থিতিতে সেই নির্বাচন হয়নি। পুরসভাগুলিতে প্রশাসক বসিয়েছিল রাজ্য। বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর কমিশনে গিয়ে বিজেপি অভিযোগ জানিয়ে এসেছিল, নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হওয়ার পরও পুরসভার প্রশাসকরা বিভিন্নভাবে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন। পুরসভাগুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে ভোটের কাজে। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন জানিয়েছিল, পুরপ্রশাসকের পদ থেকে সরাতে হবে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের। নির্দেশ মেনে ইস্তফা দিয়েছিলেন ফিরহাদ হাকিম ও প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য অতীন ঘোষ, দেবাশিস কুমাররা।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন তৈরির ১৩০০০ কোটি করোনা মোকাবিলায় খরচ হোক, দাবি প্রিয়াঙ্কার

এদিকে, ভোট মিটতেই ফের কলকাতা পুরসভার প্রশাসক পদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। অন্যান্য পুরসভাতেও প্রশাসকদের ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে কলকাতার পুর প্রশাসক বোর্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভোট মিটে যাওয়ার পরে এখন কলকাতার করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা সব থেকে বেশি প্রয়োজনীয়। এ ছাড়া পুর এলাকার জল সরবরাহ, নিকাশি ব্যবস্থা, বর্জ্য পদার্থ নিয়ন্ত্রণ-সহ এলাকার একাধিক উন্নয়নমূলক কাজের জন্য একটা নির্দিষ্ট প্রশাসনিক সংস্থার প্রয়োজন হয়। তাই বিপর্যয় মোকাবিলা আইন, ২০০৫ অনুযায়ী প্রশাসনিক বোর্ডকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: Big Breaking: ২০২১ আইপিএল স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত বোর্ডের

এদিকে, গত পাঁচদিন ধরে কলকাতায় দৈনিক সংক্রমণ ৪ হাজার ছুঁইছুঁই। এই পরিস্থিতিতে সংক্রমণ ঠেকাতে নতুন প্রশাসন কী কী ব্যবস্থা নিতে চলেছে সেদিকে নজর রয়েছে গোটা রাজ্যের। এ ব্যাপারে সোমবারই দলের বিধায়কদের কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জয়ী বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে জানিয়েছিলেন, কলকাতার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে হবে। এদিন প্রশাসকমণ্ডলীর বৈঠকে আলোচনা হয়, সংক্রমণ ঠেকাতে প্রশাসনের তরফে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.