স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: টানটান উত্তেজনায় চলল তিনটি পুরনিগম এবং একটি মহকুমা পরিষদের নির্বাচন। পেন্ডুলামের মতো একবার এদিক একবার ওদিক হল ভোটের হার। সকাল সাতটা থেকে শুরু হওয়া বিধাননগর পুরনিগমে ভোটে দুপুর ১১টা অবধি ভোট পড়ে ৩৬ শতাংশ। আকষ্মিকভাবে পরের দুঘণ্টায় ভোট পড়ে মাত্র ২ শতাংশ। আবার এই পুরনিগমেই তারপরের দুঘণ্টায় ভোট পড়ল ২২ শতাংশ। মোট গিয়ে দাঁড়ালো ৬০ শতাংশে।

এই তথ্যের ভিত্তিতেই কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন, মাঝের সময়টায় কী হয়েছিল? ওই সময়টাতেই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে, ব্যাপক সন্ত্রাসের ছবি। কোথাও ছাপ্পা, কোথাও বোমাবাজি। আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। তবে কী সন্ত্রাসের জন্য বুথমুখো হননি ভোটাররা? যদিও একাংশের দাবি, দুপুরে ভোটার এমনই কম থাকে। বেলা যত বাড়ে ভোটারের সংখ্যা আরও কমতে থাকে। তাহলে বেলা বাড়তেই কী করে ভোটের হার বেড়ে গেল? কেউ কেউ রিগিংয়ের আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না। একই চিত্র দেখা গিয়েছে আসানসোল, বালি এবং শিলিগুড়িতেও। বেলা ১১টা অবধি আসানসোলে ২৯ শতাংশ, বালিতে ২৬ শতাংশ এবং শিলিগুড়িতে ৩২ শতাংশ ভোট পড়েছে।

ইতিমধ্যেই ভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সাংবাদিক বৈঠক করেছেন গৌতম দেব। উল্লেখ্য, এদিন ভোট শুরু হয় বিধাননগর, আসানসোল এবং হাওড়া পুর নিগমের ১৬টি ওয়ার্ডে। ভোট গ্রহণ হচ্ছে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদেও। উপনির্বাচন হচ্ছে পঞ্চায়েত সমিতির ৬৬টি এবং পঞ্চায়েতের ৪৬২টি আসনে। রাজ্য পুলিশের ঘেরাটোপেই চলছে ভোট গ্রহণ। প্রত্যেকটি বুথেই ওয়েব ক্যাস্টিংয়ের মাধ্যমে নজরদারি চালানোর কথা বলেছিল কমিশন।