বারাসত: নির্বাচনে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ চলছেই জেলাজুড়ে। ষষ্ঠদফা ভোটের আগে সেই সংঘর্ষ বড়সড় আকার নিতে পারে এমনই আশঙ্কা। একইসঙ্গে বাংলাদেশ লাগোয়া সীমান্ত এলাকায় ভোটের দিন চলছে বিশেষ টহল।

উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমা স্বরূপনগর ও বাদুড়িয়া বিধানসভার নির্বাচন ২২ শে এপ্রিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে বাদুড়িয়া রেজিস্ট্রি অফিসের মোড়, খাসপুর ,তারাগুনিয়া, সরুপনগর বিধানসভা তেতুলিয়া ব্রিজ, খাসপুর ,ব্রুজ, শাড়াফুল, ডাকবাংলো সহ সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলোতে চলেছে টহল।

এদিন সকালে পুলিশকে নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনির রুট মার্চ শুরু হয়। নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে অন্যদিকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার কাজ চলেছে। মানুষ যাতে আতঙ্কিত না হয়, সহজে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারে তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা করছে নির্বাচন কমিশন।

বাদুড়িয়া ও স্বরূপনগরের সীমান্তে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা শোনেন ও নিরভয়ে ভোট দেয়ার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেন নিরাপত্তারক্ষীরা।

করোনা নিয়ে সীমান্ত লাগোয়া গ্রামের মানুষদের তাদের সচেতনতার বার্তা দেয় কেন্দ্রীয় বাহিনি ও পুলিশ। তাদের বলেন করোনা মহামারী নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হবেন না। মাক্স পরুন, হাত ভালো করে ধুয়ে ফেলুন, নিজেকে সুস্থ রাখুন অপরকেও সুস্থ রাখুন যতটা পারবেন ভিড় এড়িয়ে চলুন, অযথা কাউকে আতঙ্কিত করবেন না।

অন্যদিকে পঞ্চম পর্বের ভোট পরবর্তী হিংসায় বারে বারে উত্তপ্ত জেলার বিভিন্ন এলাকা। পানিহাটি বিধানসভার ঘোলা চন্ডীতলা এলাকায় বোমাবাজি হয়েছে। অভিযোগ, পানিহাটির তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী পরেশ দাসকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয়। এতে অভিযুক্ত বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা। গুরুতর জখম হয় পরেশ দাস চিকিৎসাধীন। অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।

পানিহাটি বিধানসভায় নির্বাচন পরবর্তী হিংসা বেড়েই চলেছে। ওখানের স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ও কর্মীদের দাবি বিজেপি প্রার্থী সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সারা পানিহাটি এলাকায় হিংসা ছড়ানো হচ্ছে। মিনাখাঁ থেকেও বারেবারে সংঘর্ষ ও হিংসার খবর এসেছে। দফায় দফায় টিএমসি ও বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে বিভিন্ন এলাকায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.