সিউদাদ দে : আতঙ্কে কাঁপছে মধ্য আমেরিকার এক দেশ গুয়াতেমালা। সেখানে জেগে উঠেছে এক ‘দানব’, পাকায়া আগ্নেয়গিরি। শুরু হয়েছে অগ্ন্যুৎপাত। নায়ক শঙ্করের চোখে এমনই এক আগ্নেয়গিরির জেগে ওঠা দেখে বিভূতিভূষণ লিখেছিলেন, “ভয়ঙ্কর সুন্দর’। কিন্তু গুয়েতেমালাতে চরম উৎকণ্ঠিত হয়ে রয়েছে সেখানকার সাধারণ মানুষ ও প্রশাসন।

আরও খবর পড়ুন – ফের তৃণমূলে তারকা যোগ, ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখালেন অদিতি মুন্সি

সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের রিপোর্ট বলছে, মধ্য আমেরিকার দেশগুলির মধ্যে অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরির পাকায়া ৩ মার্চ ভোরবেলা থেকেই লাভা উদগীরণ করতে শুরু করে। কিছু ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে বিশাল ধোঁয়ারাশি ছড়িয়ে পড়েছে আকাশে।

একই সঙ্গে রয়টার্সের তরফে গুয়াতেমালার সিসমোলজি ইন্সটিটিউটকে উদ্ধৃত করে সতর্কতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। সতর্কতায় স্থানীয় মানুষদের আগ্নেয়গিরি থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে। সতর্কতায় বলা হয়েছে, “ক্রমে ক্রমে আগ্নেয়গিরির ক্রিয়াকলাপ বৃদ্ধি পাবে এবং নতুন নতুন বিস্ফোরণ ঘটবে।” টুইটারে শেয়ার হওয়া ভয়ঙ্কর এই ছবি ও ভিডিও দেখে রীতিমতো আঁতকে উঠেছে নেটিজেনরা।

আরও খবর পড়ুন – গুরুংয়ের কুকরি চলে শনশন, অশোকের কাস্তে ঘোরে বনবন, দাজু দাপটে দিদির প্যাঁচ

এক নেটিজেন যেন সেই বিভূতিভূষণের ভাষা নিয়েই লিখেছেন, “গুয়াতেমালার পাকায়া আগ্নেয়গিরি ৩ মার্চ, ২০২১ থেকে অগ্ন্যুত্পাত শুরু করেছে। প্রকৃতির সুন্দর এবং ভয়ঙ্কর শক্তি।” অন্য একজন ফটো শেয়ার করে তাঁর ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘এটা আজ সকালের পাকায়া।’ এছাড়াও ভিডিও শেয়ার করে অনেক টুট ব্যবহারকারীরা, এব্যাপারে সকলকে সতর্ক করেছেন।

শেয়ার হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সেই ভয়ঙ্কর দৃশ্য।পাহাড়ের চূড়া থেকে যেন বেরোচ্ছে রাশি রাশি ধোঁয়া। আকাশের মেঘ পার করে সেই ধোঁয়া মিলোচ্ছে আরও ওপরের দিকে। ‘ভয়ঙ্কর সুন্দর’ কাকে বলে তা বোধহয় এই আগ্নেয়গিরি না দেখলে বোঝা যায় না। ভিডিও দেখে মনে হচ্ছে খুব ধীর গতিতে যেন ধোঁয়া উঠছে ওপরের দিকে। আসলে ব্যাপারটা তেমন না।

আরও খবর পড়ুন – বিজেপির ব্রিগেড প্রচারে ধাক্কা দিতে বিশেষ গেমপ্ল্যান তৃণমূলের

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.