টেক্সাসঃ বিশ্বজুড়ে ইতিমধ্যে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বেরতে বারন করা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। একাধিক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে বারবার হাত ধোঁয়ার কথা বলা হচ্ছে। আর বারবার হাত ধোঁয়ার ক্ষেত্রে অ্যালকোহল যুক্ত স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে বলা হচ্ছে। কিন্তু তা করতে বলা হলেও বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না। আর চাহিদা মেটাতে স্যানিটাইজার তৈরিতে হাত লাগাল বিশ্বের নামী এক ভদকা কোম্পানি।

মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেই তারা জানিয়েছিল, তাদের কোম্পানির তৈরি অ্যালকোহল স্যানিটাইজার হিসেবে ব্যবহার না করতে। কারণ স্যানিটাইজারে একটি নির্দিষ্ট পরিমানে অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়। সেই পরিমানের তারতম্য দেখা দিলে সমস্যা হতে পারে বলে জানায় ওই মদ তৈরির সংস্থা। তবে সোমবার টেক্সাসের এই কোম্পানির তরফে জানানো হয়েছে যে, মদ নয়, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ২৪ টন স্যানিটাইজার তৈরি করে সাধারণের হাতে তুলে দেবে। আর গোটা বিশ্বের এই যুদ্ধতে এভাবেই সামিল হল এই কোম্পানি।

তবে জানানো হয়েছে এই স্যানিটাইজার তুলে দেওয়া হবে অতি প্রয়োজনীয় মানুষদের হাতে। কারণ এই সময়ে অনেকে কিনতে পারছেন না। সেই কারণে যাতে নতুন করে কেউ এই ভাইরাসে আক্রান্ত না হয় সেই কারণে এই পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে সংস্থার তরফে। কারণ এই ভাইরাসের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞরা বারবার পরিস্কার পরিচ্ছনতার উপরে জোর দিচ্ছেন।

১৮ মার্চ কোম্পানির শীর্ষ আধিকারিকদের তরফে জানানো হয়, এই সংকটজনক পরিস্থিতিতে ইথানল যুক্ত স্যানিটাইজার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে শুধু এই ভদকা তৈরির কোম্পানিই নয়, অন্যান্য বেশ কয়েকটি কোম্পানিও এই মুহূর্তে স্যানিটাইজার বানানোর পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। তবে আশার কথা এই মুহূর্তে আক্রান্তের হার বাড়লেও বেশ কয়েকজন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সেই কারণে এই ভাইরাস আতঙ্কের মাঝে কিছুটা হলেও আশার আলো দেখাচ্ছে চিকিৎসক থেকে শুরু করে সকলকেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।