ভ্যাক্সিনের প্রতীক্ষায় গোটা বিশ্ব। গবেষণা চলছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। তবে প্রথম সুখবরটা দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ঘোষণা করলেন বিশ্বের প্রথম ভ্যাক্সিন।

মঙ্গলবার, ১১ অগস্ট রেজিস্টার হল বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাক্সিন। কম সময়ে ভ্যাক্সিন তৈরির বিষয়টাকে উদ্বেগের চোখে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। এরই মধ্যে প্রতীক্ষীত প্রতিষেধকের ঘোষণা রাশিয়ার।

এদিন সকালে ক্যাবিনেট সেশনের ব্রডকাস্টে একথা ঘোষণা করেন পুতিন। তিনি বলেন, ‘আজ সকালে বিশ্বে প্রথমবার কোনও রোনা ভ্যাক্সিন রেজিস্টার হল। আমি জানি এতে ভাইরাসকে প্রতিরোধ করার ক্ষমতা তৈরি হবে।’

রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রক আগেই জানিয়েছিল যে এই ভ্যাক্সিন বিশ্বে সাড়া ফেলবে। উপকার হবে সাধারণ মানুষের। কিন্তু কীভাবে কাজ করবে এই ভ্যাক্সিন। এই সম্পর্কে মস্কোর গ্যামলিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর আলেকজান্ডার গিন্টসবার্গ জানান, এই ভ্যাক্সিন কিছু জড় বা নিষ্প্রাণ পার্টিকলস তৈরি করবে। শরীরের অ্যাডিনো ভাইরাসের উপস্থিতির প্রেক্ষিতে এগুলো তৈরি হবে।

সেখান থেকেই তৈরি হবে করোনা ভাইরাসের মোকাবিলা করার মত অ্যান্টি বডি। এখনও পর্যন্ত এই ভ্যাক্সিনের কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি বলে গ্যামলিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে। এই ইনস্টিটিউটই ভ্যাক্সিনটি তৈরি করেছে, যা সম্ভবত ১২ অগাষ্ট হাতে পাবেন সাধারণ মানুষ।

গ্যামলিয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বিবৃতি জানাচ্ছে ভ্যাকসিনটি শরীরে প্রবেশ করার পর সাধারণত জ্বর আসতে পারে। কারণ এটি শক্তিশালী অ্যান্টিবডি তৈরি করতে কাজ শুরু করবে। গবেষকদের বক্তব্য সাধারণ প্যারাসিটামল খেলেই এই জ্বর নিরাময় হবে। এর জন্য অতিরিক্ত চিন্তাভাবনার প্রয়োজন নেই। একমাত্র এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াই দেখা গিয়েছে এই ভ্যাকসিনটির, যা বেশ সাধারণ উপসর্গ কোনও ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে।

আলেকজান্ডার গিন্টসবার্গ জানাচ্ছেন তিনি নিজে ও তাঁর সংস্থার গবেষকরা প্রথম এই ভ্যাকসিন নেবেন। তারপর তা বাজারে ছাড়া হবে। রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিখাইল মুরাস্কো আগেই জানিয়েছিলেন, যে স্বাস্থ্যকর্মীরা নিজেরা আগে এই ভ্যাকসিন শরীরে প্রয়োগ করবে। তারপর মাস ভ্যাকসিনেশনের কাজ শুরু করবে সরকার। সেপ্টেম্বরে এই ভ্যাকসিনের ঢালাও উৎপাদন শুরু হবে। অক্টোবরের মধ্যেই প্রত্যেকে পেয়ে যাবেন করোনা ভ্যাকসিন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও