মুম্বইঃ মুম্বইয়ের রাস্তায় এবার অসহায়দের খাবার বিতরণ করতে দেখা গেল বিবেক ওবেরয়কে। করোনা অতিমারিতে অসহায় মানুষদের হাতে খাবার তুলে দিচ্ছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এই দৃশ্য। মুম্বইয়ের জুহু পুলিশ ষ্টেশন চত্বরে কিছু পুলিশ কর্মী এবং তার সহকারী দের উপস্থিতিতেই খাবার বিতরণ করলেন বিবেক। এদিন মূলত মুম্বইয়ের নেহেরু অঞ্চলের গরীব মানুষদের হাতে খাবার তুলে দিয়েছেন তিনি।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতেই মুম্বইয়ে চলছে লকডাউন। বন্ধ রয়েছে বলিউডের শুটিংও। অসংখ্য মানুষ বেরোজগার হয়ে পড়েছেন। দুবেলার খাবার জোটাতে ব্যর্থ হচ্ছেন বহু মানুষ। তাই অনেক সেলিব্রিটি আগেও অসহায় মানুষদের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন। সেই পথেই এবার এগিয়ে এলেন বিবেক ওবেরয়। বুধবার মুম্বইয়ের জুহু পুলিশ ষ্টেশনের সামনে খাবার বিতরণ করেছেন অভিনেতা।

এপ্রিলের শুরুতেই বিবেক করোনার প্রথম ডোজের ভ্যাকসিনটি গ্রহণ করেছেন। ভ্যাকসিন গ্রহণের সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে অভিনেতা লিখেছিলেন, ‘কোভিড ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ। সকল প্রথম সারির কর্মীদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। যারা দিন রাত পরিশ্রম করছেন। ধন্যবাদ জানাচ্ছি তাদেরও, যারা এই টিকাদান প্রক্রিয়াটিকে এত সুন্দর করে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন’। শেষে তিনি সকলকে অনুরোধ করেছেন, তারাও যেন নিজেদের সুরক্ষার কথা ভাবেন এবং দ্রুত ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন।

সম্প্রতি অভিনেতা বিবেক ওবেরয় বলিউডে তার ১৯ বছর সম্পূর্ন করেছেন। তার প্রথম ছবি ‘কোম্পানি’ (Company) মুক্তি পেয়েছিল ২০০২ সালে। পরিচালক রাম গোপাল বর্মার পরিচালনায় বলিউডে হাতে খড়ি বিবেকের। বলিউডে ১৯ বছর পার করায় এক সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘আমার এখনও মনে আছে ছবি মুক্তি পাওয়ার আগের রাতের কথা। মুম্বইয়ের চারিদিকে ছবির বড় বড় পোস্টার ঝোলানো ছিল। বিলবর্ডে আমার ছবি, এটাই আমার কাছে অনেক বড় একটা পাওয়া। তখনই আমার মনে হচ্ছিল আমি একজন তারকা। কারণ রাম গোপাল বর্মা আমায় প্রথম দিন থেকেই একজন তারকা মনে করেই আমার সঙ্গে ব্যবহার করত’।

বলিউডের সালমান খান, জ্যাকলিন ফর্নান্ডিস সহ আরও অনেক তারকাকে এই দুর্সময় অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মুখে খাবার তুলে দিতে দেখা গিয়েছে। এছাড়া সোনু সুদ নিজের সব টুকু দিয়ে প্রতি নিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.