কলকাতা: মেয়েদের জীবন যে দৌড়ঝাঁপে পরিপূর্ণ সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে মেয়েদের ক্ষেত্রে সবসময় সঠিক পুষ্টি গ্রহণ সম্ভব হয়না সময়ের অভাবে বা অজ্ঞতার কারণে। অনেকেই বাড়ির মেয়েদের স্বাস্থ্য নিয়ে যেমন সচেতন নন তেমন তাদের সচেতনতা নিয়ে ওয়াকিবহালও নন স্বয়ং মেয়েরাই। পরিণাম অকালে শরীর কমজোর হয়ে পড়া, দুর্বল স্বাস্থ্য ও নানা রোগের বাস। বিভিন্ন বয়সে তাদের বিভিন্ন প্রকারের ও পরিমাণের ভিটামিন, খনিজ প্রয়োজন। ছেলেদের চেয়ে যে কোনো বয়সের মেয়েদেরই বেশি পুষ্টি দরকার এটা বিজ্ঞানসম্মতভাবে স্বীকৃত।

মাসিক, বয়ঃসন্ধিক্ষণ, গর্ভাবস্থা, জন্মদানের পরবর্তি পরিস্থিতি সব মিলিয়ে তার জীবনের প্রতিটি চক্রে পুষ্টির অভাব আন্তর্জাতিকভাবে সব মহিলাদের জন্যে প্রযোজ্য। এক কিশোরীর যে পুষ্টি দরকার, এক গর্ভবতীর দরকার তার চেয়ে অনেক আলাদা। তাই তাদের সঠিক যত্ন করতে শিখুন।

১. ভিটামিন বি ১২: খাবারকে গ্লুকোজে রূপান্তরিত করে এটি। এতে শরীরের নানা কাজের জন্যে শক্তির প্রয়োজন মেটানো যায়। তাই এই ভিটামিনটি বিপুল পরিমাণে দরকার মেয়েদের জন্যে।

আরো পোস্ট-  খাবার খুব দ্রুত খান…জড়িয়ে আছে ওজন হ্রাসের বিষয়

২. ফলিক অ্যাসিড: কোনো মহিলা গর্ভধারণের পরিকল্পনা করলে বা সে গর্ভধারণ করলে ফলিক অ্যাসিড অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে তাকে। এতে স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা মিটে যায়। কিছু মারণ রোগকেও দূরে রাখা যায়। মা ও হবু সন্তানের জন্যে এটা খুব দরকার।

৩. ভিটামিন কে: হার্ট অ্যাটাক ও অন্যান্য হৃদরোগ সংক্রান্ত সমস্যায় বেশ কিছু মহিলাদের মৃত্যু ঘটে। ভিটামিন কে কার্ডিওভাস্কুলার রোগ দূরে রাখে ও হৃদয়কে শক্তিশালী রাখে যে কোনো বয়সেই। হাড়ের শক্তি বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে ও রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখে।

৪. ম্যাগনেসিয়াম: পিএমএস চক্রে খুব কাজ দেয় এটি। ব্যাথা কমায় ও মন ভালো রাখে। মাসিকের সময় মেয়েদের মন উত্তেজিত থাকে। এই খনিজ উপাদানটি সেই মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। বয়ঃসন্ধিক্ষণে থাকা মেয়েদের উচিত এটি অবশ্যই খাওয়া।

৫. ভিটামিন ডি: অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন এটি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। শারীরিক ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক। এই ভিটামিনের অপ্রতুলতার কারণে শরীরের নান রোগ যেমন হৃদরোগ, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস হতে পারে। প্রতিদিন নিয়ম করে খাওয়া উচিত ভিটামিন ডি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।