স্টাফ রিপোর্টার, বোলপুর: বিশ্বভারতী-কাণ্ডের জট কাটাতে বুধবার সব পক্ষকে বৈঠকে ডেকেছিলেন বীরভূমের জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা। বৈঠকে যোগ দিতে আহ্বান জানানো হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকেও।

কিন্তু জেলা প্রশাসনের ডাকা সেই বৈঠক এড়িয়ে গেল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ফলে অধরাই রইল সমাধান সূত্র।

জানা গিয়েছে, বুধবার রাজ্য সরকার তথা জেলা প্রশাসনের তরফে ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিত হয়নি বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। এমনকী তাঁদের তরফে কোনও প্রতিনিধিও পাঠানো হয়নি। বৈঠকে ছিল আশ্রমিক, ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধি, সমাজসেবক ও ছাত্ররা। এ বিষয়ে বিশ্বভারতীর দাবি, তারা চেয়েছিলেন বৈঠক এলাকায় হোক। তা না হওয়ার কারণেই উপস্থিত হতে পারেননি তাঁরা।

উল্লেখ্য, সোমবার সকালে পৌষমেলার মাঠ ঘেরার প্রতিবাদে এলাকার হাজারখানেক মানুষ ভাঙচুর চালান বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অফিসে। ভাঙা হয় বিশ্বভারতীর একটি গেটও। জেসিবি দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয় সদ্য শুরু হওয়া পাঁচিলের ভিতের অংশ। মুক্ত শিক্ষাঙ্গনে পাঁচিল কেন, এই প্রশ্ন তুলে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর বাড়ির সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করেন পড়ুয়ারা। রাস্তাও অবরোধ করা হয়। এই ঘটনার পর অনির্দিষ্ট কালের জন্য বিশ্বভারতী বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

উপাচার্যের অভিযোগ, পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। তাই পরিস্থিতি এতটা খারাপ হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, পে লোডার এনে পাঁচিল ভাঙার কাজে সোমবার স্থানীয়দের উসকানি দিয়েছিলেন দুবরাজপুরের তৃণমূল বিধায়ক নরেশ বাউড়ি। তাঁর বিরুদ্ধে শান্তিনিকেতন থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। দুবরাজপুরের বিধায়ক নরেশ বাউড়ি ছাড়াও ৯ জন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়েছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। সেই দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর দফতর ও শিক্ষামন্ত্রকে চিঠি দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এদিকে, বুধবার ১২ ঘণ্টার রিলে অনশন বাতিল করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। জনসংযোগ আধিকারিক জানিয়েছেন, অনিবার্য কারণবশত এই রিলে অনশন বাতিল করা হচ্ছে।

এদিন, বিশ্বভারতী প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সকলের কাছে বাংলার সংস্কৃতি বজায় রাখার আরজি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতে গড়া বিশ্বভারতীর ঐতিহ্য রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I