স্টাফ রিপোর্টার,কলকাতা: ২০১৫ সালের টেট পরীক্ষায় ভুল প্রশ্ন করার অভিযোগ উঠেছিল প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের বিরুদ্ধে৷ সেই প্রশ্ন সত্যিই ভুল ছিল না ঠিক তা যাচাই করবে বিশ্বভারতী৷ শুক্রবার এই সংক্রান্ত এক মামলার শুনানি শেষে এমনটাই জানালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়৷ তিনি জানান, একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বিশ্বভারতীয় উপাচার্য৷

আরও পড়ুন: ৭০ কিমি পথ পেরিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্র! প্রতিবাদে অবরোধে পড়ুয়ারা

টেট পরীক্ষায় ভুল প্রশ্ন করা হয়েছে এই অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে মামলা ঠুকে দেয় কিছু পরীক্ষার্থী৷ মামলার বয়ান অনুযায়ী, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০১৪ সালে বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ৷ ১১ অক্টোবর ২০১৫ সালে হয় সেই পরীক্ষা৷ ওই বছর প্রায় ৩০ লক্ষ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছিল৷ ১৫০ নম্বরের হয় সেই পরীক্ষা৷

পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থীদের একটা বড় অংশের অভিযোগ ছিল প্রশ্নপত্রের ১১টি প্রশ্ন ভুল৷ এই নিয়ে ২০১৭ সালে ৫০০ জন পরীক্ষার্থী হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন৷ প্রায় এক বছর মামলার শুনানি চলে৷ মামলাকারীর পক্ষের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য ও আইনজীবী বিক্রম চট্টোপাধ্যায় আদালতকে জানান, প্রশ্ন ভুলের মাশুল কেন গুণবেন পরীক্ষার্থীরা? কেন পরীক্ষার্থীদের ১১ নম্বর দেওয়া হবে না সেই নিয়ে জোর সওয়াল করেন৷

আরও পড়ুন: মেলায় বিক্রি কম, চিন্তায় বাঁশ শিল্পীরা

শেষে সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর শুক্রবার বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় নির্দেশ দেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করবেন। সেই কমিটি ১১টি প্রশ্ন যাচাই করে দেখবেন সেগুলো ঠিক না ভুল । যদি এই ১১টির মধ্যে যেকটি প্রশ্ন ভুল থাকবে তার নম্বর পাবেন পরীক্ষার্থীরা। ১৯ শে সেপ্টেম্বর বিশ্বভারতী মুখ বন্ধ খামে আদালতের কাছে রিপোর্ট জমা দেবেন বলে নির্দেশ দেন বিচারপতি চট্টোপাধ্যায় ।