স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পৌষ মেলার মাঠে পাঁচিল ভাঙার ঘটনার জট কাটাতে করোনা আবহে প্রায় ১২০০ জনকে বৈঠকে ডাকল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বিশ্বভারতীর ডাকা দুটি বৈঠকেরই অনুমতি দিল না জেলা প্রশাসন।

করোনা আবহে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৫০ জনের বেশি জমায়েত করা যাবে না অথচ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ, শুক্রবার বাংলাদেশ ভবনে দুপুর ২টো থেকে এবং বিকেল ৪টে থেকে দুটি বৈঠক ডাকে। সেখানে প্রায় ১২০০ জন অশিক্ষক কর্মী, অধ্যাপক, বিভাগীয় প্রধানকে ডাকা হয়।

কিন্তু জেলাশাসক মৌমিতা গোদারার নির্দেশে মহকুমাশাসক স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এত জনকে নিয়ে বৈঠক করা যাবে না। তা বাতিল করতে হবে। ফলে শেষ মুহূর্তে ভারচুয়াল বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে শেষ মুহূর্তে বৈঠক বাতিল হওয়ায় কীভাবে ভারচুয়াল বৈঠকের আয়োজন করা হবে, সে বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখপাত্র অনির্বাণ সরকার।

এদিকে, শুক্রবার সকালে বিশ্বভারতীতে গিয়ে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করেন বিজেপি মহিলা মোর্চা সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের সুরে তৃণমূল নেতাদেরই কাঠগড়ায় তুলে অগ্নিমিত্রা সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

গত ১৭ অগাস্ট বিশ্বভারতীর পৌষমেলার মাঠ পাঁচিল দিয়ে ঘেরা নিয়ে ধুন্ধুমার বাঁধে। ট্রাক্টরে করে লোক এনে মাঠে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে। পে লোডার দিয়ে ভাঙা হয় পাঁচিল।
পৌষমেলার মাঠ ঘেরা নিয়ে ধুন্ধুমারের পর স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে পারেনি বিশ্বভারতী। এখনো থমথমে গোটা এলাকা। ঘটনার পর দিন থেকেই বন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়।

এদিকে, বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন, তাঁদের মহিলা কর্মী ও আধিকারিকরা ক্রমাগত হুমকি ও মৌখিক হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। সেই পরিস্থিতিতে অফিসে এসে কাজ করা সম্ভব নয়। অধ্যাপকেরাও কাজ করবেন বাড়ি থেকেই। আগামী ৩১ অগস্ট পর্যন্ত বাড়ি থেকেই কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।তবে ভর্তিপ্রক্রিয়া ও অন্যান্য জরুরি কাজ চলবে বলে জানানো হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I