ঢাকাঃ  পাকিস্তানের মানুষের জন্যে সমস্ত ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সম্প্রতি ঢাকার একাধিক সংবাদমাধ্যম এই সংক্রান্ত খবর প্রকাশ করে। এরপরেই গোটা দেশজুড়ে রটে যায় যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ হাসিনা সরকারের। যদিও এরপর এই বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, বাংলাদেশ পাকিস্তানের কারও ভিসা বন্ধ করেনি। তবে ব্যক্তি বিশেষ ভিসা বন্ধ থাকতে পারে।

শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে, পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের কাউন্সিলরের ভিসার মেয়াদ না বাড়ানোয় তিনি সেখানে গিয়ে ভিসা প্রসেস করতে পারছেন না।

এর আগে সোমবার পাকিস্তানের একটি কূটনৈতিক সূত্রকে কোট করে রাশিয়ান সংবাদমাধ্যম স্পুটনিকের খবরে বলা হয়, পাকিস্তানিদের জন্য বাংলাদেশিদের ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এতে বলা হয়, ইসলামাবাদে নিযুক্ত বাংলাদেশি এক কূটনীতিকের ভিসা আপডেটে দেরি করার প্রতিবাদে নাকি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, রাশিয়ান বার্তা সংস্থা দিল্লি ডেটলাইনে প্রকাশিত রিপোর্টে উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশে চলা যুদ্ধাপরাধের বিচারসহ নানা কারণে দক্ষিণ এশিয়ার ওই দুই রাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপড়েন চলছে। এমন ঘটনা দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়াবে বলে রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ বিদেশমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর (প্রেস) ইকবাল হোসাইন তার ভিসার মেয়াদ বাড়াতে গত ৯ জানুয়ারি পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রকে আবেদন করেন। গত চার মাস ধরে সেই আবেদনের সাড়া মেলেনি। ওদিকে, গত মার্চে ঢাকায় পাকিস্তানের নতুন হাইকমিশনার হিসেবে সাকলায়েন সাদেকের নাম প্রস্তাব করার পর বাংলাদেশ সেই প্রস্তাব এখনও অনুমোদন কিংবা প্রত্যাখ্যান কোনটিই করেনি।