নয়াদিল্লি: বিশ্বজুড়ে ক্রমেই বাড়ছে সংক্রমণ। ইতিমধ্যে ভারতে এই মুহূর্তে শুরু হয়েছে আনলকের প্রথম পর্যায়। যার ফলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে সাধারণ জনজীবন। একাধিক দেশ রীতিমত এই ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরি করার কাজে মনোনিবেশ করেছে। তারই সঙ্গে বেস কিছু দেশে পরীক্ষামূলক ভাবে বেশ কিছু ওষুধের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে চিনা সংস্থা সিনোভাক দ্রুত শুরু করতে চলেছে তাদের তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা।

তারা জানিয়েছে করোনাভ্যাক নামক কম্পানির ওষুধে পাওয়া গিয়েছে আশানুরূপ ফল। আর সেই কারণে আরও বিস্তারিতভাবে এই ওষুধ নিয়ে কাজ করতে চাইছেন তাঁরা। সাধারণত যে কোন ওষুধকে তিন ধরনের পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। প্রতি ক্ষেত্রের ফলাফল দেখে আগামী পরীক্ষা করা হয়। এবং তার ফলাফল নিয়ে তা বিশ্লেষণ করা হয়। করোনা ভ্যাকসিন প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা অতিক্রম করে ফেলেছে।

নানা বয়সী ব্যক্তিদের নিয়ে তাদের সাহায্যে এই পরীক্ষা চালানো হয়েছে। তাতে যা ফলাফল পাওয়া গিয়েছে তাতে আশার আলো দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

সিনোভাক ব্রাজিলের এক সংস্থার সঙ্গে যৌথ ভাবে এই তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষাতে অংশ নেবেন বলে আপাতভাবে জানা গিয়েছে। যেখানে ১৮ বছরের বেশী বয়সীদের উপরে এই ভ্যাকসিন পরীক্ষা করা হবে।

প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের পরীক্ষার পরে জানা গিয়েছে এই ওষুধ নিরাপদ। এছাড়া এটি ইমিউনিটি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। সেই কারণে সিনোভ্যাকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন এই ওষুধের তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষা এবং ওষুধ তৈরি করতে একাধিক পরিকল্পনা তারা নিয়েছেন এবং বিশ্বজুড়ে মানুষ যাতে ব্যবহার করতে পারে।

এর আগে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফেও প্রতিষেধক নিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া একাধিক সংস্থার তরফেও পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে এবারে আশা জাগাচ্ছে চিনা সিনোভ্যাক।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ