গতবছরের পরে আমরা সবাই ভেবেছিলাম হয়তো পরের বছরটা ভালো কাটবে। কিন্তু করোনা থেকে মুক্তির বদলে আমরা আবার সেই লকডাউনে ফিরে গেছি। সেই কারণে একরকম বাধ্য হয়ে সুরক্ষার তাগিদেই ছোট-বড় সমস্ত সংস্থা অফিস গুটিয়ে বাড়ি থেকে কাজ করাচ্ছে কর্মীদেরকে।

সরকারি কর্মচারীরাও পিছিয়ে নেই এই তালিকায়। খুব কম জায়গাতেই অফিসে অল্প সংখ্যক কর্মী নিয়ে কাজ চালানোর প্রক্রিয়া চলছে। এদের মধ্যে একটা এমন হাস্যকর করে বসলেন এক আইনজীবী যা রীতিমত শোরগোল ফেলে দিয়েছে নেট দুনিয়ায়।

ওয়ার্ক ফ্রম হোম- (work from home) এর দৌলতে তিনিও অফিস কালচার প্রায় ভুলেই গেছেন। তাই আদালতের গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানিতে তিনি যা করলেন তা যথেষ্ট হাস্যকর ও তার পক্ষে লজ্জাজনকও বটে। ভিডিও কনফারেন্সে চলছিল একটি মামলার শুনানি। সেই সময়ে উকিলের কান্ডে রীতিমতো ক্ষুব্ধ হলেন সেই মামলার বিচারপতি। ওই উকিল ঘরোয়া পোশাকে গেঞ্জি (vest) পরেই হাজির হয়েছেন মামলার শুনানির জন্যে। যাকে বলে একেবারেই “আনপ্রফেশনাল লুক”।

আরো পড়ুন- শুনতে পান না! একই রোগে ভুগছেন প্রতিটি গ্রামবাসী

ফলে মামলার গুরুত্ব সেই সময়ের জন্যে বেশ কমে গিয়েছিল। এই ঘটনা নাকি ঘটেছে রাজস্থানে। সেখানে নাকি হাইকোর্টের (rajasthan high court) একটি মামলার শুনানি চলছিল তখন। বিচারপতি সঞ্জীব প্রকাশ শর্মার বেঞ্চে মামলার শুনানি চলার সময় নিজের মক্কেলের জন্যে জামিনের আবেদন করতে যান আইনজীবী (lawyer) রবীন্দ্র কুমার পালিওয়াল। ভিডিও কনফারেন্সে হচ্ছিলো শুনানি। আর অফিস এথিক্স ভুলে গিয়ে তিনি গেঞ্জি (vest) পরেই হাজির হন সেখানে। তারপরই চারিদিক থেকে হাসির ঝড় উঠতে থাকে।

বিচারপতি ওই আইনজীবীকে যথেষ্ট ভর্ৎসনা করেন। এমনকি তিনি ওই আইনজীবী (lawyer) অর্থাৎ রবীন্দ্র কুমার পালিওয়ালের মক্কেলের জামিনের আবেদন খারিজ করতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু শেষমেশ শুনানির তারিখ পিছিয়ে দেন বিচারপতি সঞ্জীব প্রকাশ শর্মা। সেই তারিখ পিছিয়ে ৫ ই মে করে দেওয়া হয়েছিল। তবে এই ঘটনা এই বছরের নয়।

সুতরাং, আপনিও এবার সাবধান হয়ে যান। নইলে বস রেগে “ফায়ার” হয়ে গেলে আপনাকেও “ফায়ার্ড” করতে তার এক মুহূর্তও লাগবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.