আমদাবাদ: পিঙ্ক বল টেস্টে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে তাঁর উত্তরসূরি মহেন্দ্র সিং ধোনির রেকর্ড ভেঙেছেন ক্যাপ্টেন কোহলি৷ বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টেস্টে টস করতে নামার সঙ্গে সঙ্গে আরও এক মাইলস্টোন ছুঁবেন বিরাট৷ দেশকে সর্বাধিক টেস্টে নেতৃত্বে দেওয়ার ধোনির রেকর্ড স্পর্শ করবেন বিরাট কোহলি৷

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় টেস্ট জিতে সিরিজে ২-১ এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত মাইলস্টোনে ধোনিকে ছাপিয়ে গিয়েছিলেন কোহলি৷ ঘরের মাঠে টিম ইন্ডিয়ার ক্যাপ্টেন হিসেবে সবচেয়ে বেশি টেস্ট জয়ের রেকর্ড এখন বিরাটের ঝুলিতে৷ পিঙ্ক বল টেস্টে জয়ের ফলে ঘরের মাঠে ২২টি টেস্ট জিতেছেন কোহলি৷ চিপকে দ্বিতীয় টেস্ট জিতে আগেই ঘরের মাঠে ধোনির সর্বাধিক ২১টি টেস্ট জয়ের রেকর্ড ছুঁয়েছিলেন বিরাট৷ কোহলির ২২টি জয় এসেছে মাত্র ২৯টি টেস্টে৷ সেখানে ধোনি ২১টি টেস্টে জিতেছিলেন ৩০ ম্যাচ খেলে৷

আগেই ভারত অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি টেস্ট জয়ের নজির গড়েছেন বিরাট৷ পিঙ্ক বল টেস্ট জেতার পর ৫৯টি টেস্টের মধ্যে ৩৫টিতে জয় পেয়েছেন কোহলি৷ ধোনির নেতৃত্বে ৬০টি টেস্টে ২৭টি জিতেছে ভারত৷ তারপর রয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (২১) এবং মহম্মদ আজহারউদ্দিন (১৪)৷ অর্থাৎ এদের সকলকে ছাপিয়ে গিয়েছেন কোহলি৷

বৃহস্পতিবার বিরাটের মুকুটে জুড়ছে আরও একটি পালক৷ তবে বাইশ গজে পারফর্ম করার আগেই৷ টস করতে নামার সঙ্গে সঙ্গে ধোনিকে ছুঁয়ে ফেলবেন কোহলি৷ এখনও পর্যন্ত ভারতকে সর্বাধিক ৬০টি টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ড ধোনির দখলে৷ সাত বছরের ক্যাপ্টেন্সি কেরিয়ারে এই রেকর্ড গড়েছিলেন ধোনি৷ বৃহস্পতিবার সেই রেকর্ডে ভাগ বসাবেন কোহলি৷ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের চতুর্থ টেস্ট ম্যাচটি ক্যাপ্টেন হিসেবে কোহলির ৬০তম টেস্ট৷ ধোনির মতো কোহলিও সাত বছরে এই রেকর্ড স্পর্শ করতে চলেছেন৷

অস্ট্রেলিয়া সিরিজে মাত্র একটি টেস্টে ভারতকে নেতৃত্বে দিয়েছিলেন কোহিল৷ পিতৃত্বকালীন ছুুঁটি নিয়ে দেশে ফেরায় অজিদের বিরুদ্ধে বাকি তিনটি টেস্টে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অজিঙ্ক রাহানে৷ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফের নেতৃত্বের ব্যাট হাতে ওঠে কোহলির৷ বিরাটের নেতৃত্বে সিরিজের প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডের কাছে ২২৭ রানে হার ভারত৷ কিন্তু দ্বিতীয় টেস্ট জিতে সিরিজে সমতা ফেরায় কোহলি অ্যান্ড কোং৷ ৩১৭ রানে দ্বিতীয় টেস্ট জেতে ভারত৷ তারপর তৃতীয় টেস্টে ১০ উইকেটে জিতে চার টেস্টের সিরিজে ২-১ এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত রেকর্ড গড়েন বিরাট৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।