আমদাবাদ: শেষবেলায় বিরাট কোহলির উইকেট নিয়ে কিছুটা হলেও শান্তিতে ঘুমোতে পারবেন ইংরেজ বোলাররা৷ তবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঘূর্ণি পিচে অনবদ্য রোহিত শর্মা৷ দিনের শেষে ৫৭ রানে অপরাজিত ডানহাতি ওপেনার৷ ইংল্যান্ডকে ১১২ রানে শেষ করে পিঙ্ক বল টেস্টের প্রথম দিনের শেষ তিন উইকেটে ৯৯ রান তুলেছে ভারত৷

এক গুচ্ছ ক্যাচ ফেলার পর রোহিত শর্মার স্টাম্পিং মিস ভারতকে বড় রানের পথে এগিয়ে দিল ইংল্যান্ড৷ মোতেরায় নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ভারত-ইংল্যান্ডের প্রথম পিঙ্ক বল টেস্ট৷ যা ঠিক করে দিতে পারে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের ওঠার রাস্তা৷ যার শুরুটা দুর্দান্ত করে কোহলি অ্যান্ড কোং৷ ইংল্যান্ডকে ১১২ রানে শেষ করে দিয়ে প্রথম দিনের শেষে মাত্র ১৩ রানে পিছিয়ে রয়েছে ভারত৷ হাতে রয়েছে সাত উইকেট৷ প্রথম ইনিংসে বড় রানের লিড নিতে পারলে রুটবাহিনীকে দ্বিতীয় ইনিংসে চাপে রাখতে পারবেন ভারতীয় স্পিনাররা৷

দিনের শেষে জ্যাক লিচ ক্যাপ্টেন কোহলিকে প্যাভিলিয়নে ফেরার পথ দেখালেও হাফ-সেঞ্চুরি করে ক্রিজে রয়েছেন রোহিত৷ ৫৮ বলে ২৭ রানে লিচের স্পিনের বোল্ড হন বিরাট৷ রোহিতের সঙ্গে ১ রানে ক্রিজে রয়েছেন কোহলির ডেপুটি অজিঙ্ক রাহানে৷ ওপেনিং জুটিতে ৩৩ রান যোগ করে দলকে ভালো শুরু দিয়েছিলেন রোহিত ও শুভমন গিল৷ তবে শূন্য রানে বেন স্টোকসের হাতে জীবন পাওয়ার পরও বেশিদূর এগোতে পারেননি গিল৷ ব্যক্তিগত ১১ রানে জোফচা আর্চারের বাউন্সারে উইকেট দিয়ে আসেন টিম ইন্ডিয়ার এই তরুণ ওপেনার৷

তারপর চেতেশ্বর পূজারা মাত্রা চার বল ক্রিজে কাটান৷ লিচের স্ট্রেট ডেলিভারিতে এলবিডব্লিউ হয়ে শূন্য রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন সৌরাষ্ট্রের এই ডানহাতি৷ ৩৪ রানে দু’ উইকেট হারায় ভারত৷ তারপর রোহিত ও কোহলি ভারতীয় ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান৷ দু’জনে তৃতীয় উইকেটে ৬৪ রান যোগ করেন৷ লিচের বলে বিরাট প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে তাঁর সহজ ক্যাচ মিস করেন ওলি পোপ৷ ব্যক্তিগত ২৪ রানে বিরাটের ক্যাচ ফেলার ঠিক আগে পোপের হাতে জীবন পান রোহিতও৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.