সিডনি: ৮ মাস পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে মাইলস্টোনের সামনে বিরাট কোহলি৷ শুক্রবার সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজে নামছে ভারত৷ আর এই ম্যাচেই আরও মাইলস্টোন টপকে যেতে পারেন ভারত অধিনায়ক৷

গত ৬-৭ বছরে একের পর রেকর্ড গড়ে চলেছেন রান-মেশিন কোহলি৷ তিন ফর্ম্যাটের মধ্যে ওয়ান ডে ক্রিকেটে সাফল্যের চূড়োর দিকে এগোচ্ছেন বিরাট৷ ওয়ান ডে ক্রিকেটে সচিন তেন্ডুলকরের সর্বকালীন ৪৯টি সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৬টি সেঞ্চুরি দূরে রয়েছেন কোহলি৷ এখনও পর্যন্ত ২৪৮টি ম্যাচে ৪৩টি সেঞ্চুরি বিরাটের দখলে৷ গড় ৫৯.৩৷

ওয়ান ডে ক্রিকেটে ১২ হাজার রানের মাইলস্টোন থেকে মাত্র ১৩৩ রান দূরে কোহলি৷ অজিদের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই এই মাইলস্টোন টপকে যেতে পারেন বিরাট৷ এমনটা হলেন বিশ্বের ষষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ান ডে ক্রিকেটে ১২ হাজার রানের মাইলস্টোন টপকে যাবেন বিরাট৷ কিন্তু বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ৩০০-র কম ইনিংসে এই মাইলস্টোন টপকে যাওয়ার হাতছানি রয়েছে কোহলির সামনে৷

ডেপুটি রোহিত শর্মাকে ছাড়ায় ওয়ান ডে সিরিজে মাঠে নামছেন বিরাট৷ চোটের কারণে ওয়ান ডে এবং টি-২০ সিরিজের দল থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে হিটম্যান’কে৷ রোহিত না-থাকায় এই সিরিজে সাদা বলের ফর্ম্যাটে বিরাটের ডেপুটি হয়েছেন লোকেশ রাহুল৷ রোহিতের অনুপস্থিতিতে শিখর ধাওয়ানের ওপেনিং পার্টনার হতে চলেছেন ময়াঙ্ক আগরওয়াল৷

করোনা আবহে প্রথমবার ক্রিকেট খেলতে নামছে টিম ইন্ডিয়া৷ বিরাট কোহলিদের গায়ে উঠেছে ১৯৯২ বিশ্বকাপের নেভি ব্লু রঙের জার্সি৷ শুক্রবার অজিদের বিরুদ্ধে সফর শুরু করছে কোহলির ভারত। গত মার্চে শেষবার বাইশ গজে দেখা গিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট দলকে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের ব্যর্থতার পর দেশের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজ মাঝপথে করোনার কারণে বাতিল করেছিল ‘মেন ইন ব্লু’৷

সিডনিতে অ্যারন ফিঞ্চের অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম ওয়ান ডে ম্যাচ৷ আইপিএল খেলে দুবাই থেকে সরাসরি সিডনি পৌঁছে গিয়েছিল কোহলি অ্যান্ড কোং৷ তারপর ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ করে বাইশ গজে নামছে ভারতীয় ক্রিকেটাররা৷ এর মাঝে কোভিড টেস্ট এবং সর্তকার সঙ্গে প্র্যাকটিস ও নিজেদের মধ্যে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে মাঠে নামছে বিরাট-রাহলরা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।