নয়াদিল্লি: ২০১০-২০২০ অর্থাৎ, গত দশকের সেরা ওডিআই ক্রিকেটার হিসেবে ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে নির্বাচিত করল উইজডেন। টানা দ্বিতীয়বারের জন্য বর্ষসেরা ক্রিকেটারের তকমা ছিনিয়ে নিয়েছেন ইংরেজ অল-রাউন্ডার বেন স্টোকস। তবে উইজডেন অ্যালমনার্কের বার্ষিক যে প্রকাশনা, সেই প্রকাশনা এবার অনেক বেশি আকর্ষণীয় ছিল ওয়ান-ডে ক্রিকেটের ৫০তম বর্ষপূর্তির কারণে। ওয়ান-ডে ক্রিকেটের জন্মলগ্ন থেকে ২০২০ অবধি প্রত্যেকটি দশকের সেরা ক্রিকেটারকে তাদের এবারের প্রকাশনায় স্থান দিয়েছে উইজডেন।

এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ‘প্রথম আন্তর্জাতিক ওয়ান-ডে ক্রিকেট ম্যাচের ৫০তম বর্ষপূর্তিতে বিগত পাঁচটি দশকের সেরা ক্রিকেটারদের নাম উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালমনার্ক তাদের ২০২১ সংস্করণে প্রকাশ করেছে।’ উইজডেন তাদের ওয়েবসাইটে লিখেছে, ‘১৯৭১ থেকে ২০২১ প্রত্যেকটি দশকের একজন করে সেরা ক্রিকেটারের নাম আমরা ঘোষণা করেছি। গত দশকের সেরার সম্মান ছিনিয়ে নিয়েছেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি।’

২০০৮ অগাস্টে আন্তর্জাতিক ওডিআই অভিষেক হয়েছিল কোহলির। সর্বকালের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান এখনও অবধি কেরিয়ারে ২৫৪টি ওডিআই ম্যাচে সংগ্রহ করেছেন ১২,১৬৯ রান। গত দশকে ২০১১ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম সদস্য কোহলি ১১ হাজারেরও বেশি রান করেছেন ৫০ ওভারের ফর্ম্যাটে। শতরানের সংখ্যা ৪২। বিগত দশকের সেরা ক্রিকেটারদের তালিকায় উইজডেনের বিচারে রয়েছেন আরও ২ জন ভারতীয়। ৯০ দশকের সেরা ওডিআই ক্রিকেটার হিসেবে উইজডেন বেছে নিয়েছে কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকরকে। ১৯৯৮ একটি ক্যালেন্ডার বর্ষে ‘ক্রিকেট ঈশ্বরে’র ৯টি শতরানের রেকর্ড অক্ষুণ্ণ রয়েছেন এখনও।

পাশাপাশি আশির দশকের সেরা ওডিআই ক্রিকেটারের সম্মানটি ঝুলিতে ভরেছেন দেশের প্রথম বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব। এছাড়া ১৯৭০-৮০ এবং ২০০০-১০ এই দু’টি দশকের সেরা ক্রিকেটার হিসেবে উইজডেন অ্যালমনার্কে স্থান পেয়েছেন স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস এবং মুথাইয়া মুরলিধরন।

এদিকে টানা দ্বিতীয়বার উইজডেনের বিচারে স্টোকস হলেন বর্ষসেরা। উইজডেনের সম্পাদক লরেন্স বুথ জানিয়েছেন, ‘গত ক্যালেন্ডার বর্ষে ৫৮ ব্যটিং গড়ে তাঁর ৬৪১ টেস্ট রান অন্যান্যদের তুলনায় সর্বাধিক। পাশাপাশি ১৯টি উইকেট রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। তাঁর পিতা জেড স্টোকস ৬৫ বছর বয়সে গত ডিসেম্বরে প্রয়াত হয়েছেন। বাইশ গজে ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডি দূরে সরিয়ে রেখেই স্টোকস নিজেকে প্রমাণ করেছেন।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.