সিডনি: কোহলির ‘বিরাট’ প্রশংসা শোনা গেল অজি কিংবদন্তি স্টিভ ওয়া৷ বিরাটকে ‘মডার্ন-ডে হিরো’ অ্যাখ্যা দিলে প্রাক্তন অজি ক্যাপ্টেন৷ নিউ অ্যাটিটিউড অফ ইন্ডিয়ার প্রতিনিধি হিসেবে ভারতীয় ক্রিকেটকে এগিয় নিয়ে যাচ্ছেন কোহলি৷

“Capturing Cricket: Steve Waugh in India” নামক ৬০ মিনিটের একটি তথ্যচিত্রে অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন অধিনায়ক বলেন, বিরোধী দলকে ভয় না-পাওয়ার মনোভাবের জন্য ভক্তরা কোহলিকে পছন্দ করেন। ডকুমেন্ট্রি প্রাকাশিত হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমে এক প্রেস বিবৃতিতে ওয়া বলেন, ‘কোহলির সম্পর্কে তারা যা পছন্দ করে তা হ’ল এটি ভারতের নতুন মনোভাবের মতো, ভয় পাবেন না। সবকিছু গ্রহণ করুন এবং যে কোনও কিছুই অর্জনযোগ্য এবং সম্ভব। তবে তিনি আধুনিক সময়ের নায়কের মতো৷’

প্রাক্তন অজি অধিনায়ক ওয়া’র মতে, ভারতীয়রা যেভাবে ক্রিকেট সেলিব্রেট করে, তা দেখে তিনি সর্বদা মুগ্ধ। ক্রিকেট ক্যাপচার করা বিশেষত আমার হৃদয়ের খুব কাছাকাছি৷ কারণ এটি আমার দু’টি আবেগকে বোঝায় এক হল ক্রিকেট৷ অন্যটি ফটোগ্রাফি৷

অজি এই তারকা ক্রিকেটারের ভারত প্রেম নতুন নয়৷ ১৯৮৬ সালে প্রথমবার ভারত সফর এসেছিলেন ওয়া৷ এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘স্থানীয়রা যেভাবে ক্রিকেট খেলাটি সেলিব্রেট করেছিল তাতে আমি সর্বদা মুগ্ধ ছিলাম।’ সম্প্রতি ধরমশালা স্টেডিয়াম এবং মুম্বইয়ের ওভাল ময়দান ঘুরে তাঁর স্মরণীয় স্মৃতির কথা উল্লেখ করেন ওয়া৷ তিনি বলেন, ‘আমার সাম্প্রতিক তাজমহল ভ্রমণ, চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম, মহারাজ লক্ষ্মী বিলাস প্রাসাদ, এইচপিসিএ স্টেডিয়াম, ওভাল ময়দানের পাশাপাশি দিল্লি ও কলকাতার আশেপাশের জায়গাগুলি আমাকে গল্প ও আজীবনের স্মৃতি উপহার দিয়েছে।’

ওয়া আরও বলেন, ‘আমি আশাবাদী, ভারতীয় ফ্যানেরা যখন এই ডকুমেন্ট্রি দেখবে তখন আমারা আবেগের জার্নি উপভোগ করতে পারবে৷’ তথ্যচিত্রে ক্রিকেটের প্রতি ভারতীয়দের ভালোবাসা ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে৷ নেল মিনচিন পরিচালিত এবং মিথিলা গুপ্ত রচিত হর্ষ ভোগলে বর্ণিত তথ্যচিত্রটিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন উইকেটরক্ষক অ্যাডাম গিলক্রিস্ট এবং প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ার মহিলা অধিনায়ক লিসা স্ততালেখার পাশাপাশি কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকর এবং রাহুল দ্রাবিড়ের সাক্ষাত্কারও রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।