আমদাবাদ: ব্যাট হাতে বাইশ গজে নজির গড়া তাঁর সহজাত। আর ব্যাট হাতে নজির গড়তে গড়তেই জনপ্রিয়তার নিরিখে এবার সোশ্যাল মিডিয়াতেও বড়সড় নজির হাঁকিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) ফলোয়ারের রেকর্ড ছুঁয়েছেন ৩২ বছরের এই ক্রিকেটার।

বিশ্বের চতুর্থ অ্যাথলিট হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিরল নজির গড়েছেন ‘রানমেশিন’ কোহলি। আর নজির গড়ে এবার অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে ‘বিরাট’ বার্তা দিলেন কোহলি। বুধবার ইনস্টাগ্রামে তাঁর পোস্ট করা পুরনো বিশেষ কিছু ছবি একের পর এক ভিডিও আকারে প্রকাশ করেন ভারত অধিনায়ক। এরপর ক্যাপশন হিসেবে লেখেন, ‘তোমরাই এই যাত্রাপথটাকে সুন্দর করে তুলেছো। নিজেকে আশীর্বাদধন্য মন হচ্ছে। তোমাদের ভালবাসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।’

প্রথম ক্রিকেটার হিসেবেই কেবল নয়, বরং বলা ভাল প্রথম এশিয়ান হিসেবে ইনস্টাগ্রামে বিরল এই নজির গড়েছেন কোহলি। গ্রহের তিন সেরা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, লিওনেল মেসি এবং নেইমারের পর চতুর্থ অ্যাথলিট হিসেবে এই নজির গড়লেন দিল্লি বয়। বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ইনস্টাগ্রামে ১০০ মিলিয়ন ফলোয়ারের সংখ্যা ছাড়ানোয় আইসিসি-র তরফে আগেই কোহলিকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে৷ কোহলি ছাড়া অন্য কোনও ক্রিকেটার তাঁর ধারেকাছে নেই৷

এর আগে আয়ের নিরিখে একাধিক রেকর্ড গড়েছেন কোহলি৷ আয়ের নিরিখে বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ক্রীড়াবিদদের মধ্যে প্রথম দশে রয়েছেন ভারতীয় এই ক্রিকেটার৷ বিশ্বের ক্রিকেটারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে অসংখ্য অনুরাগী রয়েছেন কোহলির৷ শুধু তাই নয়, বলিউড তারকাদেরও পিছনে ফেলে দিয়েছেন বিরাট৷ ১০ কোটি অনুরাগীর গণ্ডি টপকে পিছনে ফেলে দিলেন দীপিকা পাড়ুকোন, রণবীর সিং ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার মত বলিউড তারকাদের৷ দেশের মধ্যে সেলিব্রিট ব্র্যান্ড ভ্যালুর বিচারে প্রথম রয়েছেন কোহলি৷ এই মুহূর্তে বিরাটের ব্র্যান্ড ভ্যালু ২৩৭.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার৷

উল্লেখ্য, কোহলির অধিনায়কত্বে টিম ইন্ডিয়ার সামনে এখন ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের হাতছানি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে আপাতত ২-১ এগিয়ে ভারতীয় দল। মোতেরায় সিরিজের চতুর্থ টেস্ট ড্র রাখতে পারলেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের ছাড়পত্র পাবে কোহলি অ্যান্ড কোম্পানি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।