মুম্বই: বৃহস্পতিবার মাঠে নামার আগে কী তাহলে ভামিকা বাবার ব্যাট থেকে বড় রান চেয়েছিল? রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে অর্ধশতরান হাঁকানোর পর আরসিবি অধিনায়ক বিরাট কোহলির সেলিব্রেশন দেখে প্রশ্নটা জাগতেই পারে। কারণ রয়্যালসদের বিরুদ্ধে চলতি আইপিএল মরশুমের অর্ধশতরান করে তা গ্যালারিতে থাকা ছোট্ট ভামিকাকেই উৎসর্গ করলেন ব্যাঙ্গালোর অধিনায়ক।

এদিন ওয়াংখেড়েতে চলতি আইপিএল মরশুমের প্রথম অর্ধশতরান করে মাঠেই মেয়ে ভামিকাকে উদ্দেশ্য করে সেলিব্রেশনে মাতলেন ‘বাবা’ বিরাট। প্রথমে ড্রেসিংরুমের দিকে ব্যাট উঁচিয়ে সতীর্থদের অভিবাদন কুড়িয়ে নেন তিনি। এরপরই বিরাটের ফোকাস চলে যায় গ্যালারিতে থাকা তিন মাসের ছোট্ট ভামিকার দিকে। মেয়েকে প্রথমে স্নেহভরে ফ্লাইং কিস ছুঁড়ে দেন বিরাট। এরপর ক্র্যাডল সেলিব্রেশনে হাফসেঞ্চুরি ভামিকাকে উৎসর্গ করেন আরসিবি অধিনায়ক।

চলতি মরশুমের প্রথম অর্ধশতরানই কেবল নয়, এদিন ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ৬ হাজার রানের মাইলস্টোন পূর্ণ করেন বিরাট। আইপিএলের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এই বিরল কৃতিত্ব অর্জন করেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর অধিনায়ক। ম্যাচে মাঠে নামার আগে আরসিবি অধিনায়কের ঝুলিতে ছিল ৫,৯৪৯ রান। অর্থাৎ, মাইলস্টোন থেকে ৫১ রান রান দূরে দাঁড়িয়ে এদিন রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে রান তাড়া করতে নেমেছিলেন বিরাট। প্রথম ৩ ম্যাচে মাত্র ৭১ রান সংগ্রহ করা কোহলি এদিন রয়্যালস বোলারদের বিরুদ্ধে রণমূর্তি ধারণ করেন। ১৩ ওভারের দ্বিতীয় বলে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে যান বিরাট।

শেষ অবধি ৪৭ বলে বিস্ফোরক ৭২ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েই এদিন মাঠ ছাড়েন আরসিবি অধিনায়ক। কোহলির ইনিংসে ছিল ৬টি চার এবং ৩টি ছয়। চলতি মরশুমে এর আগে মুম্বই এবং সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে ৩৩ রানের ইনিংস এসেছিল ভারত অধিনায়কের ব্যাট থেকে। কলকাতার বিরুদ্ধে গত ম্যাচে মাত্র ৫ রানে ডাগ-আউটে ফিরেছিলেন তিনি। তবে কোহলির চেয়েও রয়্যালস বোলারদের উপর এদিন বেশি নির্দয় ছিলেন কর্নাটকের ব্যাটসম্যান। মাত্র ৫১ বলে আইপিএল কেরিয়ারে তাঁর পয়লা নম্বর শতরানটি পূর্ণ করেন কর্নাটকের ব্যাটসম্যান।

শেষ অবধি ৫২ বলে ১০১ রান (১১টি চার, ৬টি ছক্কা) করে অপরাজিত থাকেন কোহলির ওপেনিং পার্টনার। দুই ওপেনারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে কোনও উইকেট না হারিয়ে ২১ বল বাকি থাকতেই জয় তুলে নেয় আরসিবি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.