আমদাবাদ: ব্যাট হাতে ব্যাডপ্যাচ যেন কাটছেই না ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির। টেস্ট সিরিজে উইলো হাতে কার্যত নিষ্প্রভ থেকেছেন। শুক্রবার টি২০ সিরিজের শুরুটাও জঘন্যভাবেই করলেন ভারত অধিনায়ক। এদিন মাত্র পাঁচ বল ক্রিজে থেকে রানের খাতা না খুলেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। আর সেইসঙ্গে ভারতের অধিনায়ক হিসেবে ‘ডাক’ হওয়ার নিরিখে প্রাক্তন অধিনায়ক সৌরভ গঙ্গোয়াপাধ্যায়কে টপকে যান কোহলি।

এতদিন ভারতের অধিনায়ক হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বাধিক ১৩ বার শূন্য রানে আউট হওয়ার নজির ছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ঝুলিতে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে দু’বার শূন্য রানে আউট হয়ে প্রাক্তনের সেই নজির ছুঁয়ে ফেলেছিলেন বর্তমান। আর শুক্রবার প্রথম টি২০-তে শূন্য রানে আদিল রশিদের শিকার হতেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে টপকে গেলেন কোহলি।

শুক্রবারের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভারত অধিনায়ক হিসেবে ১৪বার ডাক হয়ে শীর্ষে উঠে এলেন কোহলি। ১৩বার ডাক হয়ে তালিকার দ্বিতীয়স্থানে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। আর তালিকার তৃতীয়স্থানে রয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি (১১)। আর অধিনায়ক হিসেবে কেরিয়ারে যথাক্রমে ১০টি এবং ৮টি ডাক রয়েছে কপিল দেব এবং মহম্মদ আজহারঊদ্দিনের নামে। শুক্রবার নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে বিপক্ষ স্পিনার আদিল রশিদের স্পিনে ঠকে যান ভারত অধিনায়ক। এই নিয়ে আন্তর্জাতিক টি২০ ম্যাচে ১০ বার রিস্ট-স্পিনারের বলে আউট হলেন কোহলি। তবে কোহলি একা নন, আমদাবাদে প্রথম টি২০ ম্যাচে এদিন ব্যর্থ ভারতের সমগ্র ব্যাটিং লাইন-আপ। একা কুম্ভে কেবল লড়াই করেন শ্রেয়স আইয়ার।

শ্রেয়সের ৪৮ বলে ৬৭ রানে দৌলতেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ১২৪ রান তোলে টিম ইন্ডিয়া। পঞ্চম উইকেটে হার্দিক পান্ডিয়া সঙ্গে ৫৪ রানের পার্টনারশিপ গড়েন তিনি। ইংল্যান্ডের হয়ে ২৪ রানে ৩ উইকেট নেন জোফ্রা আর্চার। কিন্তু ইংল্যান্ডের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন-আপের কাছে ১২৪ রান কোনও বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। শুরু থেকেই ভারতীয় বোলারদের আক্রমণের পথ বেছে নিয়ে ২ উইকেট হারিয়ে ১৫.৩ ওভারে প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় ইংল্যান্ড।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.