নয়াদিল্লি: সাম্প্রতিক ক্রিকেট আলোচনায় একটা ইস্যুই বারবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আসছে৷কে সেরা? সচিন তেন্ডুলকর নাকি বিরাট কোহলি? একজন প্রাক্তন৷আরেকজন বর্তমান৷কিন্তু তুলনা টানছেন অনেকেই৷

সচিন বনাম বিরাটের লড়াইয়ে ইমরান খান কিন্তু এগিয়ে রাখছেন ভারতীয় দলের টেস্ট দলের অধিনায়ক বিরাটকেই৷প্রাক্তন কিংবদন্তি ফাস্ট বোলার ও পাক অধিনায়ক দীর্ঘ ২১ বছর বাইশ গজে কাটিয়েছেন৷ক্রিকেট ছেড়ে এখন রাজনীতিতে নাম লিখিয়েছেন তিনি৷বিরাটের সঙ্গে সচিনের তুলনায় ইমরান বলছেন,‘‘ ক্রিকেটে এক একটা যুগ আসে৷একসময় ভিভ রাজত্ব করত৷তারপর লারা ও সচিন এল৷তবে আমার দেখা সবচেয়ে পরিণত ব্যাটসম্যান বিরাট৷বহুমুখী প্রতিভা ও৷দু’টো পাকে কাজে লাগিয়ে ব্যাট করে৷মাঠের সব দিকে শট নিতে পারে বিরাট৷’’

মানসিকতা ও ধৈর্য্যের দিক থেকেই বিরাট কিছুটা এগিয়ে সচিনের থেকে৷এমনটাই মত ইমরানের৷তিনি বলছেন,‘‘ বিরাটের প্রতিভা ও টেকনিক বাদ দিলেও ওর অসাধারণ ধৈর্য্য৷এখানেই ও সচিনের থেকে এগিয়ে৷বিরাট অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতেও সফল৷যেটা সচিন অনেক সময় করতে পারেনি৷এখানেই দু’জনের পার্থক্য৷’’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।