মুম্বই: সম্ভাবনা ছিলোই। অপেক্ষা দীর্ঘায়িত না করে বৃহস্পতিবারই সেই সম্ভাবনায় সিলমোহর দিলেন বিরাট কোহলি। এদিন মুম্বই’য়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ৬ হাজার রানের মাইলস্টোন পূর্ণ করলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর অধিনায়ক। আইপিএলের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এই বিরল কৃতিত্ব অর্জন করলেন বিরাট।

বৃহস্পতিবারের ম্যাচে মাঠে নামার আগে আরসিবি অধিনায়কের ঝুলিতে ছিল ৫,৯৪৯ রান। অর্থাৎ, মাইলস্টোন থেকে ৫১ রান রান দূরে দাঁড়িয়ে এদিন রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে রান তাড়া করতে নেমেছিলেন বিরাট। প্রথম ৩ ম্যাচে মাত্র ৭১ রান সংগ্রহ করা কোহলি এদিন রয়্যালস বোলারদের বিরুদ্ধে রণমূর্তি ধারণ করেন। ১৩ ওভারের মাথায় কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে যান বিরাট। শেষ অবধি ৪৭ বলে বিস্ফোরক ৭২ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়েই এদিন মাঠ ছাড়েন আরসিবি অধিনায়ক। কোহলির ইনিংসে ছিল ৬টি চার এবং ৩টি ছয়।

২০০৮ সালে আইপিএলের জন্মলগ্ন থেকে আরসিবি’র একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য কোহলি। অর্থাৎ, আইপিএলে বিরাটের সংগৃহীত সমস্ত রান একটি দলের জার্সিতেই সংগৃহীত। বিশ্বের সেরা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ৬ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছতে ২০২ ইনিংস খরচ করলেন কোহলি। এদিন ৩৪ বলে রয়্যালসের বিরুদ্ধে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন আরসিবি অধিনায়ক। চলতি টুর্নামেন্টে এটাই প্রথম অর্ধশতরান তাঁর। এর আগে মুম্বই এবং সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে ৩৩ রানের ইনিংস এসেছিল ভারত অধিনায়কের ব্যাট থেকে। কলকাতার বিরুদ্ধে গত ম্যাচে মাত্র ৫ রানে ডাগ-আউটে ফিরেছিলেন তিনি।

কিন্তু এদিন দমানো যায়নি কোহলিকে। আইপিএলে ৬ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছনোর ম্যাচ জয় দিয়েই স্মরণীয় করে রাখেন আরসিবি অধিনায়ক। তবে কোহলির তুলনায় এদিন আরও বিধ্বংসী তাঁর ওপেনিং পার্টনার দেবদূত পারিক্কল। কোহলির চেয়েও রয়্যালস বোলারদের উপর এদিন বেশি নির্দয় ছিলেন কর্নাটকের ব্যাটসম্যান। মাত্র ৫১ বলে আইপিএল কেরিয়ারে তাঁর পয়লা নম্বর শতরানটি পূর্ণ করেন কর্নাটকের ব্যাটসম্যান। এদিন পারিক্কলের অর্ধশতরান আসে ২৭ বলে। শেষ অবধি ৫২ বলে ১০১ রান (১১টি চার, ৬টি ছক্কা) করে অপরাজিত থাকেন কোহলির ওপেনিং পার্টনার।

দুই ওপেনারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে কোনও উইকেট না হারিয়ে ২১ বল বাকি থাকতেই জয় তুলে নেয় আরসিবি। চলতি টুর্নামেন্টের প্রথম চার ম্যাচে টানা জয়ে লিগ শীর্ষে কোহলিব্রিগেড। আগামী ২৫ এপ্রিল পঞ্চম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের মুখোমুখি তারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.