অ্যাডিলেড: অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বিরাট কোহলির ব্যাটিং মধুচন্দ্রিমা মধুর হচ্ছে ক্রমশ৷ অজি ভূখণ্ডে ব্যাটিং করা বিরাট কোহলির বিশেষ পছন্দের৷ ডনের দেশে রান করার নিরিখে সচিন-লক্ষ্মণদের যথাযথ অনুসরন করছেন বিরাট৷ বরং বলা ভালো সচিনদেরও ছাপিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন ভারত অধিনায়ক৷

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মোট রানের নিরিখে সচিনদের থেকে বেশ খানিকটা পিছিয়ে থাকলেও হাজার রানের মাইলস্টোন ছোঁয়ার ক্ষেত্রে বাকি ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে যথাযথ পাল্লা দিচ্ছেন তিনি৷ চতুর্থ ভারতীয় হিসবে অ্যাডিলেড টেস্টে তৃতীয় দিনে এমন কৃতিত্ব অর্জন করেন কোহলি৷

আরও পড়ুন: ব্যর্থ বিজয়, ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত লোকেশের

প্রথম ইনিংসে ৩ রানে আউট হওয়া কোহলি দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৪ রান করার পথে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তাদের ঘরের মাঠে এক হাজার টেস্ট রানের মাইলস্টোন টপকে যান৷ চার অঙ্কে পৌঁছতে বিরাট খরচ করেন মাত্র ৯টি টেস্ট৷ তালিকার শীর্ষে রয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর৷ অস্ট্রেলিয়ায় ২০টি টেস্টে মাস্টার ব্লাস্টারের সংগ্রহ ১৮০৯ রান৷ ভিভিএস লক্ষ্মণ অস্ট্রেলিয়ায় ১৫ টেস্টে ১২৩৬ রান করেছেন৷ রাহুল দ্রাবিড়ের ১৫ টেস্টে সংগ্রহ ১১৪৩ রান৷ অ্যাডিলেড টেস্টের পর অস্ট্রেলিয়ায় কোহলির টেস্ট রান দাঁড়ায় ১০২৯ রান৷ এক হাজারে পৌঁছতে দ্বিতায় ইনিংসে বিরাটের দরকার ছিল মাত্র ৫ রান৷

অস্ট্রেলিয়ায় হাজারের বেশি টেস্ট রান রয়েছে বীরেন্দ্র সেহওয়াগেরও৷ তবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় ব্যাটসম্যান হিসাবে বীরুর সংগ্রহ ১০ টেস্টে ৯৪৮ রান৷ তিনি আরও ৮৩ রান করেন আইসিসি বিশ্ব একাদশের হয়ে৷ সব মিলিয়ে ২৮ তম সফরকারী ব্যাটসম্যান হিসাবে কোহলি এই মাইলস্টেন ছুঁয়ে ফেলেন৷ মাত্র ১৮ ইনিংসে একহাজার রান করা বিরাট হলেন এমন কৃতিত্ব দেখানো বিশ্বের চতুর্থ দ্রুততম ব্যাটসম্যান৷

আরও পড়ুন: বিরাটের ব্রেকড্যান্স ভাইরাল অ্যাডিলেডে!

অস্ট্রেলিয়ায় সর্বাধিক টেস্ট রান করা পাঁচ ভারতীয়:
সচিন তেন্ডুলকর: ২০ টেস্টে ১৮০৯ রান
ভিভিএস লক্ষ্মণ: ১৫ টেস্টে ১২৩৬ রান
রাহুল দ্রাবিড়: ১৫ টেস্টে ১১৪৩ রান
বিরাট কোহলি: ৯ টেস্টে ১০২৯ রান
বীরেন্দ্র সেহওয়াগ: ১০ টেস্টে ৯৪৮ রান (+৮৩ রান আইসিসি বিশ্বএকাদশের হয়ে)

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.