দুবাই: বাবা হতে চলেছেন তিনি। আইপিএল খেলতে আমিরশাহী পৌঁছে গত ২৭ অগস্ট অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন খবরটা। বেবি বাম্পে স্ত্রী অনুষ্কা শর্মার সঙ্গে ছবি পোস্ট করে বিরাট কোহলি জানিয়েছিলেন আগামী জানুয়ারিতে সন্তানের মুখ দেখবেন তাঁরা। ভারত অধিনায়কের দেওয়া সুখবর শুনে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়ে যায় জোর চর্চা। সেলেব কাপলকে অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা জানাতে থাকেন অনুরাগীরা।

আমিরশাহীতে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইন পর্ব শেষ হওয়ার পর নিবিড় প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। তার আগে দলের বন্ডিং সেশন চলাকালীন ফ্র্যাঞ্চাইজির অন্যান্য ক্রিকেটার এবং কোচিং স্টাফদের সঙ্গে সন্তান আসার আনন্দ ভাগ করে নিলেন ‘বিরুষ্কা’।

হোটেলের লনেই কেক কাটলেন আরসিবি অধিনায়ক বিরাট কোহলি এবং ভারতীয় ক্রিকেটের ফার্স্ট লেডি। খুশির মুহূর্ত ভাগ করে নিলেন উমেশ যাদব, নভদীপ সাইনি, যুবেন্দ্র চাহাল সহ দলের অন্যান্য ক্রিকেটাররা। করতালিতে তারা অভিনন্দন জানান দম্পতিকে। কেক কেটে অনুষ্কাকে তা খাইয়ে দেন বিরাট।

এরপর অনুষ্কা বিরাটকে কেক খাইয়ে দিতেই ভারত অধিনায়কের আলিঙ্গনবদ্ধ হন অনুষ্কা। বিরাটের গালে চুম্বন করেন তিনি। সবমিলিয়ে দুবাইয়ের হোটেলে এক দারুণ মুহূর্তের সাক্ষী থাকে দল। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এরপর শুক্রবার মরুশহরে প্রথম ট্রেনিং সেশন সারেন কোহলিরা।

প্রায় পাঁচ মাস পর নেটে ব্যাটিং উপভোগ করেন কোহলি। আরসিবি ক্যাপ্টেন জানান, স্পিনাররা সঠিক জায়গায় বল রাখায় ব্যাটিং উপভোগ করছিলাম। কোহলি আরও উল্লেখ করেন, পাঁচ মাস পরে ব্যাট তুলতে গিয়ে প্রথম নেট সেশনের আগেই ভয় পেয়েছিলেন কোহলি।

আরসিবি তার অফিসিয়াল টুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। যেখানে ক্যাপ্টেন কোহলি বলেন, ‘প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি ভালো৷ সত্যি বলতে আমি খুব ভয় পেয়েছিলা৷ গত পাঁচ মাসে ব্যাট তোলা হয়নি৷

তবে হ্যাঁ, এটি আমার প্রত্যাশার চেয়ে আরও ভালোভাবে করতে পেরেছি৷ আমি লকডাউনের সময় বেশ কিছুটা প্রশিক্ষণ নিয়েছি৷ তাই আমি বেশ ফিট বোধ করছি৷ এটি আপনাকে আরও ভালো প্রতিক্রিয়া জানাতে সহায়তা করে।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.