চেন্নাই: মরু শহরের আইপিএলে ব্যর্থ হওয়ার পর তাঁকে রিলিজ করে দিয়েছিল পঞ্জাব কিংস৷ ২০২১ আইপিএল নিলামে প্রত্যাশার বেশি দামে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে কিনে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর৷ তাঁর উপর আস্থা রাখার পুরস্কার দিলেন অজি অল-রাউন্ডার৷ এর জন্য আরসিবি ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলিকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন প্রাক্তন অজি পেসার ব্রেট লি৷

চতুর্দশ আইপিএলে শুরু থেকেই দারুণ ছন্দে রয়েছেন ম্যাক্সওয়েল৷ প্রথম ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ২৮ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন অজি অল-রাউন্ডার৷ আর বুধবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৪১ বলে ৫৯ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেন ম্যাক্সি৷ তাঁর লড়াকু ব্যাটিংয়ে ভর করে সানরাইজার্সের সামনে ১৫০ রানের টার্গেট দিয়েছিল আরসিবি৷ এই রান নিয়েই বোলারদের দুরন্ত পারফরম্যান্স ৬ রানে ম্যাচ জিতে নেয় কোহলি অ্যান্ড কোং৷

ম্যাচের পর স্টার স্পোর্টস চ্যানেলে লি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস নতুন রঙের জার্সিতে ম্যাক্সওয়েল এবার দারুণ খেলবে৷ এখনও পর্যন্ত দু’টি ম্যাচে কোহলির সঙ্গে ব্যাটিং করেছে৷ আমার মনে হয়, কোহলিই ওর সাফল্যের চাবিকাঠি৷’ প্রাক্তন অজি পেসার আরও বলেন, ‘খেলায় ওর মনোসংযোগ বেড়েছে৷ হৃদস্পন্দন কমিয়েছে৷ এর কারণ অবশ্যই কোহলির সঙ্গে ব্যাটিং৷ টুর্নামেন্টের শুরু থেকে ওর টেম্পারমেন্টে আমি খুশি৷’

সানরাইজার্সের বিরুদ্ধে কোহলির সঙ্গে ম্যাক্সওয়েলর ৪৪ রানের পার্টনারশিপ ছিল অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ টস জিতে আরসিবি’কে প্রথমে ব্যাটিং’য়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন সানরাইজার্স ক্যাপ্টেন ওয়ার্নার। করোনা সারিয়ে আইপিএলে প্রত্যাবর্তনটা ভালো হয়নি আরসিবি ওপেনার দেবদূত পারিক্কলের। ১৪ রানে ফিরলেন শাহবাজ আহমেদের বলে। তারপর তৃতীয় উইকেটে বিরাট-ম্যাক্সওয়েলের পার্টনারশিপ আরসিবি-কে ম্যাচ ফেরায়। ২৯ বলে ব্যক্তিগত ৩৩ রানে আরসিবি অধিনায়ক ডাগ-আউটে ফিরলেও দায়িত্ব নিয়ে ব্যাটিং করেন ম্যাক্সওয়েল।

কোহলি আউট হওয়ার পর সানরাইজার্স বোলারদের দাপটে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে আরসিবি। একা কুম্ভে লড়াই চালিয়ে যান ম্যাক্সওয়েল। শেষদিকে ব্যাটে ঝুড় তুলে নিজে অর্ধ-শতরান পূর্ণ করেন পঞ্জাব কিংসের প্রাক্তনী। আরসিবি-কে দেড়শো রানের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেন তিনি। তাঁর ৫৯ রানের ইনিংস সাজানো ছিল ৫টি চার এবং তিনটি ছয়ে। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন ম্যাক্সওয়েল। ম্যাচের সেরা পুরস্কারও জিতে নেন তিনি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.