নয়াদিল্লি: ক্লান্ত শরীর চনমনে হয়ে ওঠে একটু ম্যাসাজ পেলেই৷ আরাম পেতে কারই বা না ভালো লাগে৷ তবে কোনও রমনীর হাতের আলতো ছোঁয়া নয়৷ ম্যাসাজ যদি হয় হাতির শুঁড় ও পায়ের! শুনতে অবার লাগছে তো? কিন্তু এটাই সত্যি৷ এক মহিলার পিঠে হাতির ম্যাসাজের ভিডিয়ো এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল৷

এই ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, ওই মহিলা একটি নীচু খাটে উপুর হয়ে শুয়ে রয়েছেন৷ আর তাঁর পিঠের উপর শুঁড় আর পা দিয়ে সুন্দর করে ম্যাসাজ করে দিচ্ছি আস্ত একটা হাতি৷ হাতির ম্যাসাজ বেশ উপভোগও করছেন ওই মহিলা৷ তবে ভিডিয়োটি নতুন নয়৷ দু’বছর পুরনো৷ সম্প্রতি নতুন করে তা ছড়িয়ে পড়েছে৷
ডোডোর মতে, হাতির শুঁড় দিয়ে ম্যাসাজ করার এই চল বেশ পুরনো৷ থাইল্যান্ডে পর্যটকদের ম্যাসাজ করার জন্য প্রশিক্ষিত হাতি ব্যবহার করা হয়৷ সেখানে এটি একটি মজাদার বিষয়৷ তবে হাতি পা পিঠে উঠলে অনেকেরই হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়৷ কিন্তু খুব ছোট থেকেই এই হাতিগুলিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে৷ বহু পর্যটক হাতির ম্যাসাজ নিতে পছন্দ করেন৷ এটি একেবারেই ক্ষতিকারক নয়৷

এই প্রশিক্ষণের জন্য ছোট বয়সেই হাতিদের তাদের মায়ের কাছ থেকে সরিয়ে আনা হয়৷ যা পশুপ্রেমীদের একেবারেই না পসন্দ৷ এই ভিডিয়োটি দেখেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে নেট দুনিয়ার বাসিন্দারা৷ এক টুইটার ইউজারের কথায়, ‘‘হাটিতিকে মানুষের সেবা করার জন্য প্রশিক্ষিণ দেওয়া হয়েছে৷ কেন মুক্ত করা হল না তাকে?’’ অপর একজন বলেছেন, ‘‘আমি এই ধরনের জিনিসকে ঘৃণা করি৷ হাতি আমাদের সেবক নয়৷’’ আবার অনেকে হাতির দক্ষতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ৷

১৬ জানুয়ারি আমির নামে এক ট্যুইটার ইউজার নতুন করে ভিডিয়েটি শেয়ার করেন৷ তার পর থেকেই নেটদুনিয়ায় ভাইরাল৷ কয়েক হাজার হাজার ভিউ ও লাইক পেয়েছে। তবে এই ভিডিওটি কোথাকার তা জানা যায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.