ওয়াশিংটন: শ্বেতাঙ্গ পুলিশের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর বিরুদ্ধে অশান্ত আমেরিকা। দফায় দফায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হচ্ছে উত্তেজিত জনতার। গত কয়েক দিনে অশান্তি ছড়িয়ে পড়েছে অন্তত ৩০টি শহরে। কারফিউ জারি করেও বিক্ষোভের আগুন নেভাতে ব্যর্থ হচ্ছে পুলিশ প্রশাসন।

সোমবারেও (স্থানীয় সময়) হোয়াইট হাউসের বাইরের চত্বরে ছড়াল অশান্তি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষণের কিছু আগেই বিক্ষোভকারীদের দমাতে টিয়ার গ্যাস ছুঁড়তে হয়। পুলিশ ও মিলিটারির সঙ্গে রীতিমতো সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উত্তেজিত জনতা।

গত বৃহস্পতিবার থেকে দেশের ২২টি শহরে প্রায় দু হাজার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানাচ্ছে গোটা সপ্তাহে মোট গ্রেফতার ৪১০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে।পরিস্থিতি সামলাতে আটটি প্রদেশ ন্যাশনাল গার্ড নামানো হয়েছে। অশান্তির উৎস স্থল মিনিয়াপোলিসের সব রাস্তা বন্ধ করে আকাশে উড়ছে সেনা কপ্টার। লস অ্যাঞ্জেলেস, ওয়াশিংটন, শিকাগো, নিউইয়র্কের মতো দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলিতে কারফিউ জারি হয়েছে।বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস, রবার বুলেট ইত্যাদি ব্যবহার করছে পুলিশ।

এত ঘটনার মূলে রয়েছে কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু। গত সোমবার আমেরিকার মিনিয়াপোলিসে ৪৫ বছরের ওই ব্যক্তিকে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে আমেরিকার বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদেরকে ‘সন্দেহজনক কুকুর’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে, শুক্রবার হোয়াইট হাউজে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক বিক্ষোভে আশঙ্কিত হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আন্ডারগ্রাউন্ড বাঙ্কারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস এক ব্যক্তির বক্তব্য উল্লেখ করে এই ঘটনার কথা জানিয়েছে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।