স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: বামেদের ডাকা ১২ দফা দাবিতে দুই দিন ব্যাপী ধর্মঘটের প্রথম দিনেই দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়াল দমদমে। বামপন্থী ধর্মঘটীদের বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ এনেছে শাসকদল তৃণমূল। এদিন সকাল বেলা সাড়ে ছটায় দক্ষিণ দমদম পুরসভার সামনে আটকে দেওয়া হয় সিআইসি সদস্য প্রবীর পালের গাড়ি।

ধর্মঘটী বাম কর্মীরা প্রবীর পালের গাড়ি ঘিরে স্লোগান দিতে শুরু করেন। তিনি গাড়ি থেকে নেমে ধর্মঘটীদের সরে যেতে বলেন। এর পরেই অজ্ঞাতপরিচয় এক দল বাইক বাহিনী এসে ধর্মঘটীদের বেধড়ক মারধর করে। ধর্মঘটীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে নাগেরবাজারের দিকে গেলে সেখানেও তাদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। আহত হয় বেশ কয়েকজন বামপন্থী কর্মী-সমর্থক।

অপর একটি ঘটনা ঘটেছে দমদমে ইটালগাছা এলাকায়। সেখানে দমদম পুরসভার বাম কাউন্সিলর শিশির বল মিছিল করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়। শিশির বাবুর অভিযোগ, ইটালগাছায় দমদম পুরসভার উপপুর প্রধান বরুণ নট্ট সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের তৃণমূল কর্মীরা তাদের মিছিল করতে বাধা দেয়। এরপর শিশির বাবুরা পুনরায় সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ দমদম থেকে মিছিল করে দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের দিকে এসে অবরোধ শুরু করেন। এর কিছুক্ষণ পর তাদের উপর ফের চড়াও হয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা। শিশির বল সহ অন্যান্য বামপন্থী কর্মীদের আক্রান্ত করা হয় বলে অভিযোগ।

সেখানে সংবাদমাধ্যম ছবি তুলতে গেলে তাদেরও মারধর করা হয়। আহত হয় চার সাংবাদিক। একই সময় নাগেরবাজারে অবস্থিত দমদম জোনাল পার্টি অফিসে ঢোকার চেষ্টা করে একদল দুষ্কৃতী। ভেঙে দেওয়া হয় এক মহিলা ফিজিওথেরাপিস্ট এর স্কুটি। দমদম জোনাল পার্টি অফিসে ঢোকার মূল প্রবেশ গেট ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ভিতরে আটকে পড়েন মহিলা সমিতির কর্মীরা। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে তারা বাড়ি ফেরেন।

এই পরিস্থিতি সম্পর্কে দক্ষিণ দমদম পুরসভার সিআইসি সদস্য প্রবীর পাল বলেন, বামেরা নিজেরাই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। মুখ্যমন্ত্রী যখন ধর্মঘট বাতিল বলেছেন তখন বুঝে নিতে হবে ওটা সরকারি নির্দেশ। ওরা বামেরা নানান জায়গায় বলপূর্বক বনধ করার চেষ্টা করেছে। তাই পুলিশ ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে ওদের সংঘাত হয়েছে। ধর্মঘটীরা নানান জায়গায় অশান্তি পাকিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.