মুম্বই: দলে যোগ দিতেই বিজেপি অভিনেতা সানি দেওলকে গুরুদাসপুর থেকে প্রার্থী করায় বেজায় চটেছেন বিনোদ খান্নার স্ত্রী কবিতা৷ বিজেপি নেতৃত্বের আচরণ দেখে নিজেকে প্রতারিত বলে মনে হয়েছে তাঁর৷ কারণ তাঁর মনে হয়েছে যাঁরা তাঁকে নিজেদের সাংসদ হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন, তাঁদের ইচ্ছেটাকে উপেক্ষা করা হয়েছে৷

তবে তিনি এই পরিস্থিতিতে নির্দল প্রার্থী হিসেবে গুরুদাসপুর থেকে লড়বেন কিনা সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি৷ কারণ এই পরিস্থিতিতে তিনি তাঁর সন্তানদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন ঠিক করেছেন৷

প্রসঙ্গত, ১৯৯৮, ১৯৯৯, ২০০৪, ২০১৪— চার বার ওই কেন্দ্র থেকে বিনোদ খান্না ভোটে জিতেছিলেন। মন্ত্রী হয়েছিলেন অটলবিহারী বাজপেয়ীর সরকারে। নিজের কেন্দ্রের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোকে জুড়তে এতগুলো সেতু বানিয়েছিলেন যে, তাঁকে ‘সর্দার অব ব্রিজেস’ নামেও ডাকা হত। কিছুদিন আগে খোদ নরেন্দ্র মোদী জনসভায় এসে জানিয়েছিলেন, বিনোদ খান্না আধুনিক ও উন্নত গুরুদাসপুরকে দেখতে চেয়েছিলেন। তাঁর স্বপ্নটা পূরণ করতে হবে৷

কিন্তু ২০১৭ সালে বিনোদ খান্নার মৃত্যু পর সেখানে উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী করে ব্যবসায়ী স্বর্ণ সালারিয়াকে ৷ ভোটে তিনি কংগ্রেসের সুনীল জাখরের কাছে বড় ব্যবধানে হারেন । ফলে এবারে আশা করা হচ্ছিল বিনোদ পত্নী কবিতাকে প্রার্থী করার৷ সেই আশা কবিতা গুরুদাসপুরের দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়াচ্ছিলেন। কিন্তু এবার ধর্মেন্দ্র পুত্রকে টিকিট দেওয়ায় শেষ আশায় জল ঢেলে দিয়েছে৷