নুর-সুলতান: ৫৩ কেজি বিভাগে টোকিও অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন করে নিয়েছিলেন আগেই। এবার কুস্তি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে পদক জয়ের খরা কাটালেন এশিয়াডে সোনাজয়ী ভিনেশ ফোগত। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে দু’বারের ব্রোঞ্জজয়ী গ্রীসের মারিয়া প্রেভোলারাকিকে হারিয়ে ৫৩ কেজি ফ্রি-স্টাইল বিভাগে ব্রোঞ্জ জিতে নিলেন ফোগত।

জাপানের মায়ু মুকাইদার কাছে হেরে সোনা জয়ের সুযোগ হাতছাড়া হয়েছিল আগেই। কিন্তু মুকাইদা ফাইনালের যোগ্যতা অর্জন করায় অপ্রত্যাশিতভাবে ব্রোঞ্জ জয়ের সুযোগ চলে আসে ভিনেশের কাছে। তবে রিপচেজ রাউন্ডের মাধ্যমে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের পদক জয়ের রাস্তা খুব একটা সহজ ছিল না হরিয়ানার এই মহিলা কুস্তিগীরের জন্য। দ্বিতীয় রাউন্ডে তাঁর লড়াই ছিল বিশ্বের এক নম্বর সারাহ আন হিলডারব্র্যান্ডটের বিরুদ্ধে। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডে সারাহকে ৮-২ ব্যবধানে পরাজিত করে ব্রোঞ্জ পদক বাউটে লড়াইয়ের জন্য যোগ্যতা অর্জন করে নেন ফোগত একইসঙ্গে নিশ্চিত করেন ২০২০ টোকিও অলিম্পিকের টিকিট।

কমনওয়েলথ গেমস কিংবা এশিয়াডে স্বর্ণপদক গলায় ঝোলালেও ভিনেশের ট্রফি ক্যাবিনেটে ছিল না বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের কোনও পদক। গ্রীসের প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে সেই লক্ষ্যপূরণে সফল হলেন হরিয়ানার কুস্তিগীর। দু’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মায়ু মুকাইদার কাছে প্রি-কোয়ার্টারে হারলেও জাপানি প্রতিদ্বন্দ্বীর দেওয়া লাইফলাইন দুর্দান্তভাবে কাজে লাগালেন ভিনেশ। প্রথম রিপচেজ রাউন্ডে ইউক্রেনের ইউলিয়া কাভালদজিকে ৫-০ ব্যবধানে হারানোর পর সারাহ আনের বিরুদ্ধে দুরন্ত ডিফেন্সিভ স্কিলের পরিচয় দিয়েছিলেন ফোগত।

বুধবারই প্রথম কুস্তিগীর হিসেবে আসন্ন অলিম্পিকের টিকিট নিশ্চিত করে ফেলায় ব্রোঞ্জ পদক বাউটে অনেকটাই নিশ্চিন্তে রিংয়ে নামেন তিনি। রিপচেজ রাউন্ডের প্রথম দুই বাউটের ধারা বজায় রেখে প্রেভোলারাকির বিরুদ্ধেও বাজিমাত করে যান ফোগত। অলিম্পিকের টিকিট নিশ্চিত করে ফোগত জানান, ‘টোকিও যাচ্ছি ভেবে দারুণ খুশি তবে আমার কাজ এখনও শেষ হয়নি। এখানে আমার পদক জয়ের সুযোগ রয়েছে এবং সেটা কোনওভাবেই হাতছাড়া করতে চাই না।’