চন্ডীগড়: ২৯ অগস্ট জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের ঠিক প্রাক্কালে মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। যে কারণে জাতীয় ক্রীড়া দিবসে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পুরস্কার গ্রহণের তালিকা থেকেও ছিটকে যেতে হয় তাঁকে। তবে শীঘ্রই করোনাভাইরাসকে ম্যাটের বাইরে পাঠিয়ে সুস্থ হয়ে উঠলেন ‘খেলরত্ন’ ভিনেশ ফোগত।

বুধবার টুইট করে নিজেই তাঁর সুস্থতার কথা অনুরাগীদের সঙ্গে শেয়ার করে নিলেন ২০১৮ এশিয়াডে সোনাজয়ী মহিলা কুস্তিগীর। তবে সতর্কতা অবলম্বন করে এখনও কিছুদিন তিনি হোম আইসোলেশনে থাকবেন তিনি জানিয়েছেন ফোগত। টুইটে মহিলা কুস্তিগীর বুধবার লেখেন, ‘আক্রান্ত হওয়ার পর গতকাল দ্বিতীয়বারের জন্য আমার কোভিড পরীক্ষা করা হয়েছে। আর আমি আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি আমার দ্বিতীয় কোভিড পরীক্ষার রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে।’

টোকিও অলিম্পিকে এখনও অবধি দেশের একমাত্র মহিলা কুস্তিগীর হিসেবে যোগ্যতাঅর্জন করা ফোগত আরও জানান, ‘কোভিড মুক্ত হলেও আমি সাবধানতা অবলম্বন করে এখনও আইসোলেশনে রয়েছি। অনুরাগীদের শুভেচ্ছার জন্য অনেক ধন্যবাদ।’ উল্লেখ্য, ফোগতের বেলজিয়ান কোচ ওলার অ্যাকোস অতিমারী পরিস্থিতির কারণে এখনও এদেশে এসে পৌঁছতে না পারায় আপাতত কোচ ওম প্রকাশ দাহিয়ার তত্ত্বাবধানে সোনপাতেই প্রশিক্ষণ চলছিল দেশের এই মহিলা কুস্তিগীরের। আর তার মাঝেই ফোগতের সঙ্গে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁর ‘দ্রোণাচার্য’ জয়ী কোচও। করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসায় তিনিও উপস্থিত থাকতে পারেননি জাতীয় ক্রীড়া সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে।

১ সেপ্টেম্বর থেকে রেসলিং ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার উদ্যোগে লখনউয়ে শুরু হওয়ার কথা ছিল মহিলা কুস্তিগীরদের জাতীয় প্রস্তুতি শিবির। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতির কারণে শুরু করা যায়নি সেই শিবির। যদিও সোনপাতে ওই একইদিন থেকে পুরুষ কুস্তিগীরদের প্রস্তুতি শিবির শুরু হয়েছে নির্ধারিত সূচি মেনেই।

উল্লেখ্য, জাতীয় ক্রীড়া দিবসের ঠিক আগেরদিন করোনা আক্রান্ত হয়ে ফোগত গৃহবন্দি অবস্থায় পিটিআই’কে জানিয়েছিলেন, ‘জাতীয় ক্রীড়া সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানের ড্রেস রিহার্সাল হিসেবে আমার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। সেই পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ঈশ্বরের আশীর্বাদে আশা করি খুব শীঘ্রই সুস্থ হয়ে উঠব। আপাতত বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছি।’ রোহিত শর্মা, মনিকা বাত্রা, রানি রামপাল, মারিয়াপ্পান থাঙ্গাভেলুর সঙ্গে চলতি বছর দেশের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মান ‘রাজীব খেলরত্ন’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন ভিনেশ ফোগত।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.