বেঙ্গালুরু: ২৫ বছর সার্ভিসের পর থেমে গেল ‘দাভানগিরি এক্সপ্রেস’৷ অশোক দিন্দার পর বিনয় কুমার৷ মাসখানেকের ব্যবধানে বাইশ গজকে গুডবাই জানালেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন এই দুই সদস্য৷ শুক্রবার হঠাৎ করেই সব ধরণের ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করলেন বিনয় কুমার৷

টিম ইন্ডিয়ার জার্সিতে তিন ফর্ম্যাটেই খেলেছেন কর্নাটকের এই ডানহাতি পেসার৷ কিন্তু এদিন বুট তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন বিনয়৷ দেশের একটি মাত্র টেস্ট খেললেও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলেছেন তিনি৷ দেশের হয়ে ৩১টি ওয়ান ডে এবং ৯টি টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন ৷ তিন ফর্ম্যাট মিলিয়ে ৪৯টি আন্তর্জাতিক উইকেট রয়েছে তাঁর দখলে৷ আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন কর্নাটকের এই ডানহাতি পেসার৷

এদিন সোশাল মিডিয়ায় অবসর ঘোষণা করে বিনয় লেখেন, ‘২৫ বছর ধরে টানা চলার পর, বহু স্টেশন অতিক্রম করে দাভানগিরি এক্সপ্রেস আজ যে স্টেশনে এল, তা অবসর! মিশ্র অনুভূতি নিয়ে আমি, বিনয় কুমার আজ আন্তর্জাতিক এবং প্রথমশ্রেণির ক্রিকেট থেকে অবসর নিচ্ছি। সিদ্ধান্ত নেওয়াটা সহজ ছিল না৷ তবে প্রত্যেক ক্রীড়াবিদের জীবনেই এমন একটা সময় আসে যখন সরে দাঁড়াতে হয়।’

দেশের হয়ে সেরা বোলিং পারফরম্যান্স ২০১১ সালে৷ দিল্লিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে ম্যাচে ৩০ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন বিনয়। আইপিএলে কেকেআর ছাড়াও খেলেছেন কোচি টাস্কর্স এবং মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে৷ এছাড়াও টানা দু’বার কর্ণাটককে রঞ্জি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন করিয়েছেন বিনয়৷ ভারতীয় দলে তাঁর স্বপ্ল কেরিয়ারে কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকর ও এমএস ধোনির সঙ্গে খেলার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিনয়৷

তিনি লেখেন, ‘অনিল কুম্বলে, রাহুল দ্রাবিড়, এমএস ধোনি, বীরেন্দ্র সেহওয়াগ, গৌতম গম্ভীর, বিরাট কোহলি, সুরেশ রায়না, রোহিত শর্মাদের মত ক্রিকেটাদের অধীনে খেলতে পেরে আমার ক্রিকেট জীবন সমৃদ্ধ হয়েছে। এছাড়াও সচিন তেন্ডুলকরকে মেন্টর হিসেবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলে পেয়েছি।’কেরিয়ারের অনেক সুন্দর স্মৃতির মধ্যে এই অবসরের সিদ্ধান্তটা কঠিন ছিল৷ মজা করে তিনি লিখেছেন, ‘দাভানগিরি এক্সপ্রেস কিছু সময়ের জন্য থেমেছে, তবে লাইনচ্যুত হয়নি৷ আবার সে দৌড়বে৷ ক্রিকেটের মধ্যে আবার সে ফিরবে৷ ঘুমোর আগে আরও অনেক মাইল অতিক্রম করতে হবে৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।