স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: একশো দিনের প্রকল্প একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। পঞ্চায়েত প্রধান নিজে বাঁচতে দুই সুপার ভাইজারকে সাসপেন্ড করেছে বলে অভিযোগ সুপারভাইজারদের সংগঠনের।

পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় সুপারভাইজার সমিতির। ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় মালদহের কালিয়াচক ২ নম্বর ব্লকের রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতে। চাপে পড়ে সুপারভাইজারদের পুনর্বহাল করার আশ্বাস গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ধনিরানী মন্ডলের। পুরো ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মালদহ জেলাশাসক। বিধানসভা ভোটের মুখে এই ঘটনা ঘিরে তৃণমূল-বিজেপি চাপানউতোর শুরু৷

কালিয়াচক ২ নম্বর ব্লকের রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েত। তৃণমূল পরিচালিত এই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ধনী রানী মণ্ডলের বিরুদ্ধে ১০০ দিনের প্রকল্পে কয়েক লক্ষ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। একাধিক দফতরে এই বিষয়ে অভিযোগ করেন গ্রামবাসীরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।

এরই মধ্যে দুই সুপার ভাইজারকে সাসপেন্ড করেন পঞ্চায়েত প্রধান। কি কারণে তাঁদের সাসপেন্ড করা হলো তা জানানো হয়নি সুপারভাইজারদের। এরই প্রতিবাদে সুপারভাইজারদের সংগঠন একত্রিত হয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। দীর্ঘক্ষন ঘেরাও করে রাখা হয় পঞ্চায়েত প্রধানকে। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

সুপারভাইজারদের অভিযোগ, পঞ্চায়েত প্রধান নিজের দুর্নীতি ঢাকতে এবং সরকারি কর্মীদের বাঁচাতে তাঁদের সাসপেন্ড করেছে। দ্রুত সাসপেন্ড অর্ডার প্রত্যাহার না করলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দেন তাঁরা।

চাপের মুখে সুপারভাইজারদের পুনর্বহালের আশ্বাস দিয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধান। আর যা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে।

বিজেপির কটাক্ষ তৃণমূল পরিচালিত সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত দুর্নীতিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।তাই নিজেদের বাঁচাতে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে পঞ্চায়েত গুলি।

যদিও পঞ্চায়েত প্রধানের পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর দুলাল সরকার। তিনি বলেন, “অনেক সময় পঞ্চায়েত প্রধানরা জানতে পারেন না কোথায় কি দুর্নীতি হচ্ছে।সরকারি কর্মচারীদের যোগসাজশে এই ধরনের ঘটনা ঘটে।” যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখে পুরো ঘটনায় পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মালদহ জেলা শাসক রাজর্ষি মিত্র।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।