মুম্বই: তিনি বিশ্বসুন্দরী। সৌন্দর্যে ও ব্যক্তিত্বে একেবারে পরিপূর্ণ সুস্মিতা সেন। তাই তাঁর প্রেমে পড়লে তা যে খুব একটা অস্বাভাবিক নয় সেটা বলাই যায়। তেমনই বলিউডে পা রাখার পরে সুস্মিতা সেনের প্রেমে পড়েছিলেন বিক্রম ভাট। সুস্মিতাও জড়িয়েছিলেন সেই সম্পর্কে। সিমি গারেওয়াল-এর চ্যাট শো-এ এসে সুস্মিতা সেন এই সম্পর্কের কথা বলেছিলেন। যদিও সেই সম্পর্ক বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। কিন্তু এই সম্পর্কের জন্য আজও আফসোস করতে হয় বিক্রম ভাটকে।

বিক্রম ভাটও সুস্মিতার সঙ্গে সম্পর্কের কথা কোন দিনই অস্বীকার করেননি। কিন্তু সেই সময় বিবাহিত থাকা সত্বেও সুস্মিতার সঙ্গে তিনি সম্পর্কে জড়িয়ে ছিলেন। আর তার জন্যই আজও আক্ষেপ করেন বিক্রম। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কাছে বিক্রম জানিয়েছেন, সুস্মিতার সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরে তিনি রীতিমতো ভেঙে পড়েছিলেন। স্ত্রী অদিতির সঙ্গে যে আচরণ করেছিলেন তার জন্য তিনি অনুতাপ করেন তাও বলেছিলেন।

বিক্রম বলেছেন অনেকেই ভেবেছিলেন তখন সুস্মিতার সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়াই হয়তো তিনি মুষড়ে পড়েছিলেন। কিন্তু আসলে স্ত্রী অদিতির কথা ভেবেই তিনি লজ্জিত ছিলেন। এমনকি, মেয়ে কৃষ্ণার সঙ্গে দেখা করতে তার বাধছিল। মেয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন দেখা না হওয়াতেই ভেঙে পড়েছিলেন আরও তিনি।

তবে এখানেই শেষ নয়। বলিউডে নিজের পরিচিতি নিয়েও বেশ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছিলেন বিক্রম। পরিচালক তাঁর পরিচয় হলেও সেই সময় তিনি সুস্মিতা সেনের বন্ধু হিসেবেই সব জায়গায় পরিচিত হতেন। আর এই আইডেন্টিটি ক্রাইসিসই তাঁকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিল। নিজেই এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন বিক্রম।

আর এই কারণেই তিনি মনে করেন অদিতির সঙ্গে বিবাহিত থাকাকালীন সুস্মিতার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে তিনি ঠিক কাজ করেননি। যদিও সিমি গারেওয়ালের চ্যাট শো-এ সুস্মিতা বলেন, সেই সময় এমনিতেই বিক্রম আর অদিতির বিবাহ বিচ্ছেদ প্রক্রিয়া চলছিল। নতুন করে সম্পর্ক ভেঙে তিনি বিক্রমের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েননি। আর তাই নিজেকে অদিতি ও বিক্রমের সম্পর্কের অবনতির জন্য কোনওভাবেই দায়ী মনে করেন না সুস্মিতা। বিক্রমের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হওয়া এবং তা ভেঙে যাওয়া এর কোনওটার জন্যই তিনি যে আক্ষেপ করেন না সেটাও স্পষ্ট জানিয়েছেন বিশ্বসুন্দরী।