লন্ডন: চোট গুরুতর নয়। কোনওরকম চিড়ও ধরেনি। লন্ডনে অল-রাউন্ডার বিজয় শংকরের স্ক্যান রিপোর্ট যেন টাটকা বাতাস বয়ে আনল ভারতীয় শিবিরে। দ্বিতীয়দিনের নেট সেশনে ব্যাটিং করার সময় ডান হাতে চোট পান শংকর। নেট বোলার খলিল আহমেদের ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে চোট পেয়ে বসেন তিনি৷ ভারতীয় থিঙ্কট্যাঙ্ক কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি। তড়িঘড়ি বিজয়কে মাঠ থেকে তুলে নেন টিম ইন্ডিয়ার ফিজিও।

চোটের কারণে শনিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি বিজয়। স্ক্যান রিপোর্ট হাতে না পাওয়া অবধি উৎকণ্ঠায় ছিল টিম ম্যানেজমেন্ট থেকে দেশের ক্রিকেট অনুরাগীরা। অবশেষে শনিবার স্ক্যান রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর স্বস্তি বিরাটের সংসারে। স্ক্যান রিপোর্টের কথা উল্লেখ করে বিসিসিআইয়ের তরফ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানানো হয়, ‘শুক্রবার প্রস্তুতিতে ডান বাহুতে চোট পেয়েছিলেন শংকর। এরপর তাঁর স্ক্যান করা হয়। কিন্তু স্ক্যান রিপোর্ট গুরুতর নয়। স্ক্যান রিপোর্টে কোনও চিড়ের উল্লেখ নেই। বিসিসিআই মেডিকেল টিম তাঁকে দ্রুত সুস্থ করে তোলার সবরকম চেষ্টা করছে।’

স্বাভাবিকভাবেই শনিবার প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামেননি বিজয়। মঙ্গলবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচেও তাঁর না খেলার সম্ভাবনাই প্রবল। ওভালে শুক্রবার তিনটি নেটে ব্যাটিং প্র্যাকটিস করেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা৷ মহেন্দ্র সিং ধোনি, হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে দ্বিতীয় গ্রুপে নেটে ব্যাট করতে ঢোকেন বিজয়৷ কিন্তু ব্যাটিং করতে গিয়ে খলিলের বলে ডানহাতের বাহুতে চোট পান বছর পঁচিশের এই তামিল অল-রাউন্ডার৷ সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে ড্রেসিংরুমে নিয়ে যাওয়া হয়৷ তবে শনিবার চুপচাপ বসে থাকেননি শংকর। নেটে এদিন সিঙ্গল হ্যান্ড থ্রো-ডাউন করেন এই ক্রিকেটার।

বিশ্বকাপ খেলতে ভারতীয় দল দেশ ছাড়ার আগেই চোটের জন্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিলেন মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান কেদার যাদব৷ কিন্তু তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বুধবারই দলের সঙ্গে রওনা দিয়েছেন৷ তবে শুক্রবারও প্র্যাকটিসে নামেননি মহারাষ্ট্রের এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান৷ ৫ মে আইপিএলে বাঁ-কাঁধে চোট পেয়েছিলেন কেদার৷ কিন্তু টিম ইন্ডিয়ার ফিজিও প্যাট্রিক ফারহার্টের পরামর্শে কেদারকে ১৫ জনের চূড়ান্ত দলে রাখে টিম ম্যানেজমেন্ট। শংকরের মত যাদবও কিউয়িদের বিরুদ্ধে প্রথম প্র্যাকটিস ম্যাচে মাঠের বাইরে রয়েছেন।