কলকাতা- লকডাউনের মধ্যেই নেটদুনিয়ায় হিট বড় লোকের বিটি লো, লম্বা লম্বা চুল, এমন মাথায় বেঁধে দেবো লাল গেঁদাফুল। বাংলার লোকশিল্পী রতন কাহারের এই গান বাদশা তাঁর ব়্যাপে ব্যবহার করেছেন। আর সেই গানে নেচে ঝড় তুলেছেন অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ। গানটি নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। নেটিজেনরা নানারকম মতামত দিয়েছেন গানটি নিয়ে। কিন্তু গানটি তেমন সাড়াও ফেলেছেন। অনেকেই গানটিতে নেচে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করছেন। এবার অভিনেত্রী মনামী ঘোষও লাল গেঁদাফুল গানে নাচলেন ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও আপলোড করলেন।

মনামী বরাবরই নাচে বেশ পারদর্শী। নাচের রিয়্যালিটি শোয়েও অংশ নিয়েছেন তিনি। তাই বলা বাহুল্য এই গানেও তাঁর শরীরী হিল্লোল নেটিজেনদের নজর কেড়েছে। কোয়ারেন্টাইনে তারকারা নিজের পছন্দের মতো কাজ করে সময় কাটাচ্ছেন। মনামীও ব্যতিক্রম নন। বাড়িতেই বেশ কায়দা করে নাচের শ্যুট করেছেন তিনি। কখনও বাড়ির গেটের সামনে, কখনও আবার চেয়ারে বসে তাঁকে দেখা গিয়েছে। বাড়িতে থেকেও যে নিজের পছন্দের কাজটা করা যায় তাই বুঝিয়েছেন মনামী। অরিজিনাল নাচের কিছু স্টেপ এক রাখলেও, বাকিটা নিজের মতো করেই কোরিওগ্রাফ করেছেন মনামী ঘোষ। আর তা তাঁর ভক্তরা বেশ পছন্দও করেছেন।

তবে লাল পাড়ের সাদা শাড়ি নয়। মনামী বেছে নিয়েছেন একটি গোলাপি হলুদের শাড়ির আর ডিপ পার্পল রাফলড স্লিভ ব্লাউজ। গেঁদা ফুল গানে মনামীর কোমর দোলানোয় কূপোকাত তাঁর ভক্তরা। আর সব সময়ের মতোই তাঁকে দেখতেও সুন্দর লেগেছে। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে গানটি আপলোড করার সঙ্গে সঙ্গে তা ভাইরাল হয়। তবে এই প্রথম নয়। মনামী এর আগেও নেচে বেশ কিছু ভিডিও আপলোড করেছেন। এমনকী, বেড়াতে গিয়েও রাস্তায় নেচে আপলোড করেছেন তিনি। কারণ নাচতে তিনি ভালোবাসেন।

সেই ভিডিওগুলিও ভাইরাল হয়। প্রসঙ্গত এই গানটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কও হয়েছে। গানের জন্য র‌্যাপার বাদশার বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ উঠেছিল। গানটিতে ব্যবহৃত হয়েছে বাংলার বিখ্যাত লোকগান, বড়লোকের বেটি লো লম্বা লম্বা চুল।

এই গানটি পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের লোকশিল্পী রতন কাহার-এর লেখা। কিন্তু ইউটিউবে মুক্তি পাওয়া গানটিতে গীতিকার হিসেবে নাম রয়েছে খোদ বাদশার। আর এই কারণেই চুরির অভিযোগ ওঠে বাদশার বিরুদ্ধে। কিন্তু অবশেষে বাদশা এই প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ খুললেন। বাদশা জানান তিনি জানতেন না এই গানটি লেখা রতন কাহারের। তার জন্য তিনি দুঃখিত। কিন্তু এখন তিনি গানের স্রষ্টা অর্থাৎ রতন কাহারকে সাহায্য করতে চান বলে জানিয়েছেন।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প