ইন্দোর: তাঁর ব্যাটে রঞ্জি ফাইনাল খেলার ইচ্ছেপূরণ হয়নি মনোজ-দিন্দাদের৷ সেমিফাইনালে ১২৭ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলে দিল্লিকে ফাইনালে তোলেন গৌতম গম্ভীর৷ কিন্তু ফাইনালে খামোশ গম্ভীরের ব্যাট৷ হোলকার স্টেডিয়ামে মাত্র ১৫ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন বাঁ-হাতি ওপেনার৷

ইডেনে তারকাখচিত কর্নাটককে হারিয়ে প্রথমবার রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে জায়গা করে নেওয়া বিদর্ভ খেতাবি লড়াইয়ে দিল্লির বিরুদ্ধে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়৷ উমেশ যাদব জাতীয় দলের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকা উড়ে যাওয়ায় তাঁর পরিবর্তে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছেন আদিত্য ঠাকরে৷ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ দলের রিজার্ভ ক্রিকেটার ঠাকরের হাতে ফার্স্ট ক্লাস ক্যাপ তুলে দেন কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিত৷ রঞ্জি ফাইনালের মতো বড় আসরে প্রথম শ্রনির ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করলেন আদিত্য৷

আরও পড়ুন: এক কোটি টাকা ও জমির দলিল হাতে এল মিতালির

প্রথম একাদশে বদল হয়েছে দিল্লিরও৷ বিকাশ টোকাসের হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট পুরোপুরি সেরে না ওঠায় তিনি মাঠে নামতে পারবেন না৷ তার পরিবর্তে মাত্র একটি প্রথম শ্রেনির ম্যাচ খেলা আকাশ সুদান মাঠে নামছেন৷

টস জেতার পর বিদর্ভ অধিনায়ক ফৈজ ফজল বলেন, ‘তাজা পিচের সুযোগ কাজে লাগিয়ে শুরুতেই দিল্লির ব্যাটিংয়ে ধাক্কা দিতে চাই৷ পিচের আদ্রতা সাহায্য করতে পারে পেসারদের৷ ফাইনাল ম্যাচ বলে বাড়তি চাপ নেই আমাদের উপর৷ দল হিসেবে আমাদের কাছে এটা আরও একটা ম্যাচ মাত্র৷ যদি হার্ডল টপকাতে পারি, তবে ট্রফি অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য৷’

আরও পড়ুন: অশ্বিন-জাদেজাকে নিয়ে আশাবাদী রাহানে

দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্তও  টসে জিতলে প্রথমে বল করতে চাইতেন বলেও জানান৷ কারণ, পিচে যথেষ্ট আদ্রতা রয়েছে৷ যা পেসারদের জন্য আদর্শ৷ বিদর্ভ অধিনায়কের সিদ্ধান্ত যে মোটেও ভুল নয়, তা প্রমাণ করে দেন অভিষেককারী আদিত্য ঠাকরে৷ প্রথম শ্রেনির ক্রিকেটে নিজের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলেই তিনি তুলে নেন দিল্লি ওপেনরা কুণাল চান্দেলার উইকেট৷ মাত্র ৩০ রানে দুই ওপেনারকে হারায় দিল্লি৷

তবে চাপ কাটিয়ে ধ্রুব ও হিম্মতের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় দিল্লি৷ ৯৯ রানে চার উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা দিল্লি প্রথম দিনের শেষে ছ’ উইকেটে ২৭১ রান তুলেছে৷ ১২৩ রানে ক্রিজে রয়েছে ধ্রুব সোরে৷ আর ৬৬ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরেছেন হিম্মত সিং৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।