স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: শনিবার বিকেলে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে সুরেলা আবহ তৈরি করলেন ঊষা উত্থুপ, পাপন, সৌম্যজিৎ এবং সৌরেন্দ্রর মতো শিল্পীরা। কদম কদম বাড়ায়ে যা’ ও আমার দেশের মাটি’-র মতো দেশাত্মবোধক গান ধ্বনিত হল ভিক্টোরিয়ায়। তা চাক্ষুস করলেন প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল সহ গোটা দেশবাসী।

ভিক্টোরিয়ায় ১২৫তম নেতাজি জন্মজয়ন্তী পালনের প্রস্তুতি বেশ কিছুদিন আগে থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল। এদিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা করে শিশু শিল্পীরা। বাদ্যের সঙ্গতে গেয়ে ওঠে ‘কদম কদম বাড়ায়ে যা’। প্রত্যেকেই পরেছিল আজাদ হিন্দ ফৌজের ইউনিফর্ম। শিশুশিল্পীদের পরই ‘সুভাষজি’ গানের সুর ধরেন পাপন। তাঁর গলায় শোনা গেল, ‘সুভাষজী, সুভাষজী ও জানে হিন্দ আগায়ে…’। তারপর কবিগুরুর “যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে” সংগীত পরিবেশন করেন ঊষা উত্থুপ। বাংলার পাশাপাশি ইংরাজিতেও গানটি গান।পাপন ও ঊষা উত্থুপের পর “ধন ধান্য পুষ্প ভরা” গানে মঞ্চ মাতান সৌম্যজিৎ এবং সৌরেন্দ্র । গানের নেপথ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোকনৃত্যও পরিবেশন করা হয়। ভিক্টোরিয়ার দেশের শাসনের বিরুদ্ধে নেতাজির লড়াইয়ের আখ্যান এদিন প্রোজেকশন ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে ফুটে উঠে ভিক্টোরিয়ার দেওয়ালে। ব্যাকগ্রাউন্ডে ধ্বনিত হল সব্যসাচী চক্রবর্তীর ব্যারিটোন কন্ঠ।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন হয়।

এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে পৌঁছতেই তাঁকে স্বাগত জানান উপস্থিত বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা, শুভেন্দু অধিকারীরা। মোদীর মুখোমুখি হতেই সেইসময় প্রধানমন্ত্রীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। আর তারপরই অনুজ বিজেপি নেতা শুভেন্দুর পিঠ চাপড়ে দিতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে।

তবে নেতাজি ভিক্টোরিয়ায় দুই যুযুধান পক্ষকে মিলিয়ে দিলেও শতাব্দী প্রাচীন ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে এদিনআগাগোড়া দূরত্ব বজায় রেখে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।শনিবার প্রথম সাক্ষাতে নমস্কার বিনিময় হয়েছিল। মমতা উত্তরীয়ও পরিয়ে দিয়েছিলেন মোদীকে। কিন্তু বরাবর দু’জনের মধ্যে দূরত্বটুকু চোখে পড়েছে। ভিক্টোরিয়ায় বিভিন্ন প্রদর্শনী ঘুরে দেখার সময়েও কাছাকাছি তো নয়ই, খুব কম সময়ই পাশাপাশি দেখা গেল কেন্দ্র ও রাজ্যের দুই প্রধানকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।